নিত্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ওষুধের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির কারণে বহু মানুষের চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কেননা, বাংলাদেশে এখনো মানুষের চিকিৎসা বাবদ মোট খরচের বড়
সামাজিক অবক্ষয়ের অন্যতম কারণ মাদক। মাদকাসক্তি একটি সামাজিক ব্যাধি, সর্বগ্রাসী মরণনেশা। বর্তমানে এ সমস্যা ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে বিশ্বব্যাপী, বাংলাদেশেও রয়েছে এর ব্যাপক বিস্তার। তরুণরা মাদকে আকৃষ্ট হয়ে বিভিন্ন অসামাজিক
নানা অজুহাতে ওষুধের দাম বাড়িয়ে থাকে দেশের ওষুধ প্রস্তুতকারী কোম্পানিগুলো। বস্তুত দেশীয় কোম্পানিগুলো ওষুধের দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে এক ধরনের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত রয়েছে। অথচ দেশে উৎপাদিত প্রায় ৯৭ শতাংশ ওষুধের মূল্য
উপজেলা নির্বাচনে ভোটের দিন পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে-এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা। সিনিয়র সচিব মোস্তাফিজুর রহমান এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, এখন প্রতিটি স্বাভাবিক কেন্দ্রে অস্ত্রসহ তিনজন পুলিশ, অস্ত্রসহ
আর কিছুদিন পরেই অনুষ্ঠিত হবে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদেও সবচেয়ে বড়ো উৎসব ঈদুল ফিতর, স্বাভাবিক ভাবেই বছরের এই সময়টিতে বিপুল পরিমাণ মানুষ রাজধানী ছেড়ে গ্রামে যায় আপনজনদের সাথে ঈদ উদযাপন করতে। কিন্তু
বাংলাদেশের বর্তমান পরিবেশে “সড়ক দুর্ঘটনা” একটি সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। খবরের কাগজের পাতা খুললেই চোখে পড়বে সড়ক দুর্ঘটনার খবর। কিছুকিছু এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনা টেলিভিশনে ব্রেকিং নিউজ হিসেবে দেখানো হবেই। এসব
দেশে শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীতজনিত রোগ। সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট, অ্যাজমা, নিউমোনিয়া ও ঠাণ্ডাজনিত ডায়রিয়াসহ নানাবিধ রোগ ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়েছে। অনেক জায়গায় হাসপাতালের মেঝেতেও রোগীদের স্থান সংকুলান হচ্ছে না।
– রানা বর্তমান সাহিত্যিক ও নির্মাতা বাংলাদেশ। এই যে গাজাবাসি! তোমরা সবকিছুতে অভ্যস্ত! চোখের সামনে মানুষ হয়ে মানুষকে খুন। দিবালোকে জ্বালাওপোড়াও কিংবা নারী ধর্ষন। তোমরা মৃত্যুর গন্ধে অভ্যস্ত! সন্তান
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে যে বিতর্ক রয়েছে, তা অনাকাক্সিক্ষত। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারদের কাছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল বৃহস্পতিবার। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনি তফশিলে
-রানা বর্তমান নিমতলায় বসে চা আর বিড়ি টানছি।পাশে ঝুলে আছে তারেক মাহমুদের শোকের বানার। সামনে বামে কিংবা উপরে টাঙ্গানো লাল নিল হরেক রঙ্গের থিয়েটারের ফেসটুন। মাঝে মধ্যে বারংবার রক্তখেকো