রমজান মাসের রোজার উদ্দেশ্য হচ্ছে আল্লাহমুখি মানুষ ও আল্লাহমুখি অন্তর তৈরি করা। সারা বছর নানাবিধ পার্থিব ধারণা ও মোহে আচ্ছন্ন মানুষের কুমন্ত্রণা, পাপাচারমূলক কাজের অনুভূতিকে জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে রমজান ব্যক্তির নৈতিক সত্তা
আজ ২১ রমজান। ইসলামের ইতিহাসে এক স্মরণীয় দিন। এ দিনে ইসলামের ৪র্থ খলিফা হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু শাহাদাত বরণ করেন। আবার এ দিনেই খেলাফত লাভ করেন তাঁরই পুত্র হজরত হাসান
চলছে মুসলমানদের আত্মসংযমের মাস আত্মশুদ্ধির মাস পবিত্র মাহে রমজান। এই মাসে বিশেষ এমন কিছু আমল রয়েছে যা অধিক প্রিয় হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর কাছে। বিশেষ করে চারটি আমলের কথা বলেছেন
মহান আল্লাহ পথহারা মানবকুলকে পথের দিশা দেওয়ার জন্য যুগে যুগে অসংখ্য নবী-রাসুল প্রেরণ করেছেন। তারই ধারাবাহিতায় প্রেরণ করেন সর্বশেষ নবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে। তিনি এসে আল্লাহর দীক্ষা
রমজান মাস শুরু হয়েছে। ইসলামিক শরিয়তে এই রোজা পালন করার বেশকিছু নিয়ম ও বিধান রয়েছে- যা জানা জরুরি। রোজা পালনে অনেক ছোট বিষয় রয়েছে যে সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকায়
আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমাদ হুসাইন (মা. জি. আ.) বলেছেন- ইসলাম শান্তির ধর্ম। অশান্তি কিংবা বিশৃঙ্খল জীবন কাহারও কাম্য নয়। বছরের
রমজান মাসে প্রথম পবিত্র মক্কা মুকাররমার জাবালে রহমত, তথা হেরা পর্বতের গুহায় মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে ফেরেশতাদের সরদার হজরত জিবরাইল (আ.)–এর মাধ্যমে বিশ্ব নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)–এর প্রতি
বর্তমান বিশ্বের দ্রুত গতির জীবনধারা, বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি এবং বিভিন্ন ধর্মীয় বিশ্বাসের সৌন্দর্যের যে ব্যাপ্তি তৈরি হয়েছে, মানবসভ্যতার বিকাশে এর গুরুত্ব অপরিসীম। ইসলাম এক শান্তিপূর্ণ ধর্ম। এ ধর্মের প্রতিটি নির্দেশ ও
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর জন্য পবিত্র রমজান মাস জুড়ে সিয়াম সাধনা তথা রোজাকে ফরজ করেছেন। রোজা শুধু ইসলামের অনুসারি উম্মাতে মুহাম্মাদির ওপরই ফরজ হয়নি বরং পৃথিবীর শুরু থেকেই এ রোজার
পিতা-মাতার খেদমতের মাধ্যমে মানুষ জান্নাত লাভ করে। রমজান যেমন নাজাতের মাধ্যম, পিতা-মাতা তেমনি জান্নাতের বাহন। যারা পিতা-মাতার খেদমত থেকে বঞ্চিত হলো, তারা আল্লাহ তাআলার রহমত থেকে বঞ্চিত হলো। রমজান মাস