জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর নির্দেশনার আলোকে অবৈধ তামাক ও তামাকজাত পণ্যের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে রংপুর-এ ৩৬ লাখ টাকা মূল্যের বাজেয়াপ্ত তামাক পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে ২০২৬) কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, রংপুর-এর উদ্যোগে নগরীর আর কে রোডস্থ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় (নজরুল পাঠাগারের বিপরীতে) এ ধ্বংস কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। কমিশনারেটের যুগ্ম কমিশনার পায়েল পাশা-এর নেতৃত্বে গঠিত কমিটির উপস্থিতিতে শুল্ক গুদামে সংরক্ষিত ও রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তকৃত এসব তামাক ও তামাকজাত পণ্য ধ্বংস করা হয়।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ, সিটি কর্পোরেশন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), পরিবেশ অধিদপ্তর এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।এ সময় যুগ্ম কমিশনার পায়েল পাশা বলেন,“অবৈধ তামাক ও তামাকজাত পণ্যের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এসব পণ্য শুধু রাজস্ব ফাঁকির কারণ নয়, জনস্বাস্থ্যের জন্যও মারাত্মক হুমকি। নকল ও পুনঃব্যবহৃত ব্যান্ডরোল ব্যবহার বন্ধ এবং চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের ধ্বংস কার্যক্রম অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে এ অভিযান পরিচালনা করা হবে।”তিনি আরও জানান, আইন অনুযায়ী আটক ও পরবর্তীতে বাজেয়াপ্ত পণ্য ধ্বংসের মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাজারে অবৈধ পণ্যের প্রবাহ কমানো সম্ভব হচ্ছে।কমিশনারেট সূত্রে জানা গেছে, শুল্ক গোডাউনে বিভিন্ন সময়ে আটক এবং পরে রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তকৃত তামাকজাত পণ্যের ধ্বংস কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন চোরাচালান নিরুৎসাহিত হচ্ছে, অন্যদিকে রাজস্ব আদায়ে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।অভিজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে অবৈধ তামাক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন সম্ভব হবে।
Leave a Reply