” পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ”
এই স্লোগানকে সামনে রেখে বর্তমান বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর অর্জনের পাল্লা ভারী হয়ে, সুনামের খাতায় প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে সুনামের ক্রমিক নম্বর।
সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, আর মাদক ব্যাবসায়ীদের দমন করে সেই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের, আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান, তিনি, সন্ত্রাস, দুর্নিতী, চাঁদাবাজি, চুরি ছিনতাই আর মরন নেশা, মাদক দমনে যেমন কঠর তেমনি সুবিচার পাইয়ে দেওয়ার দিকটায়ও তেমন মানবীক একজন মানুষ।
বলছি এক জন মানবীক পুলিশ সদস্যের কথা, একজন নেতা যেমন তার কর্মীদের অনুপ্রেরণা দিয়ে নেতৃত্ব প্রদান করে সংগঠনকে এনে দেয় সফলতা, এগিয়ে নিয়ে যায় তার গন্তব্যের চুড়ায়,
একজন কোচ যেভাবে খেলার মাঠে তার আত্মবিশ্বাসের সাথে একটা স্তর তৈরি করে তার শিষ্যের কাছ থেকে সেরাটুকু বের করে নিয়ে আসে ঠিক তেমন ভাবেই পুলিশ কর্মকর্তা মাহবুব তার অফিসারদের আত্মবিশ্বাসীর স্তর তৈরি করে কাজ করিয়ে নেন এবং বুঝে নেন ষোল আনা।
শত বিপদ ও প্রতিকূলতার মধ্যে যিনি বট গাছের ন্যায় আগলে রাখেন তার অধীনস্থ পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের।
তিনি আর কেউ নন,তিনি হচ্ছেন বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর গর্ব কিংবদন্তী, আদাবর থানার ওসি মাহাবুবুরহমান।
আদাবর থানায় ১১.১১.২০২৩ সালে যোগদানের পর অত্র থানার সর্বস্থানে এনে দিয়েছেন পরিবর্তনের হাওয়া, কাজের গতিশীলতা, সফলতা সবকিছুর পেছনে এই মানুষটার অংশ গ্রহণ। নাগরিক সেবা ও জন-নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিনিয়ত তার নির্দেশে বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে অধিনস্ত পুলিশ সদস্যরা। চোর ছিনতাইকারী, ডাকাত ও অবৈধ দখলদারদের কবলে পরে অনেকেই অনেক কিছু হারিয়ে ফেলেন, অনেকের মোবাইল ফোন চুরি হয়,থানায় জিডি করার পর থেকেই দ্রুত গতিতে তদন্তের তাগিদ দেন দায়ীত্বে থাকা কর্মকর্তাকে। ওসি মাহবুব যোগ দেওয়ার পর থেকে, মাদক সহ একাধিক অপরাধীর মুখোশ উন্মোচন করেছেন তিনি।
একজন মানবিক ও নিষ্ঠাবান অফিসার অসাধারণ ভালো মানুষ এই পুলিশ কর্মকর্তা।
অসংখ্য নিদর্শন তৈরি করে তিনি তার অধীনস্থ অফিসারদের নিয়ে বাস্তবায়ন করেছেন এলাকায় সান্তির ফোয়ারা। অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাওয়া এই কর্মকর্তা এখন আদাবরের বাসীন্দাদের কাছে এক জন মানবীক মানুষ হিসেবেই পরিচিত।
ঢাকা ডিএমপির কাছে একজন মানবিক এবং চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতও তিনি।
তিনি একজন বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর গর্বিত কর্মকর্তা।
কর্মদক্ষতা, বিচক্ষণতা ও চৌকস এই পুলিশ কর্মকর্তার নাম এখন সবার মুখে,মুখে।এছাড়াও তিনি দিন-রাত পরিশ্রম করে বিপদগ্রস্ত মানুষকে সেবা প্রদান করা সহ অপরাধ দমনে অসীম সাহসী ভূমিকা অব্যাহত রেখেছে। তিনি ইতিপূর্বে, ।ডিএমপির ডিবি-মিরপুর বিভাগের নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন, মিরপুর এলাকায় একজন সফল কর্মকর্তা হিসেবে খুব সুনামের সহিত দায়ত্বি পালন করে এসেছেন।
অর্জন করেছেন এলাকার সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা।
এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি, ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে যেন যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
ওই এলাকার সকল শ্রেণির মানুষের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা নিয়ে তিনি নিজেই কথা বলে তাৎক্ষাণিক সমাধান করে দিয়েছেন।
সফল এই পুলিশ কর্মকর্তাকে মিরপুর বাসী আজও মনে রেখেছেন এবং সহজে ভুলতে পারবে না বলেও জানা গেছে।
উন্নতশীল ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে হলে সবার আগে দরকার অপরাধ প্রবণতামুক্ত একটি সুন্দর সমাজ,কারণ তৃনমুলের জনপদ ভালো থাকলে দেশ ভালো থাকে, সচল থাকে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা আর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি।
ফলে অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জনের মাধ্যমে জনগনের ভাগ্য উন্নয়নে সহায়ক হিসেবে কাজ করে বিশ্বের উন্নতশীল দেশ সমুহের দিকে তাকালে বাস্তব চিত্র এমনটাই পরীলক্ষিত হয়।
বর্তমান সরকারের সফল উদ্যোগের কারণে বর্তমানে বাংলাদেশ এখন সসর্বক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের প্রতিটি শাখায় সমৃদ্ধি যেমন বাড়ছে, তেমনি জনগনের জীবন-যাত্রার মানোন্ননয় ও বারছে।
তবে এখনো আমরা কিছু কিছু নেতিবাচক কাজের কারনে পিছিয়ে আছি, যার ফলে সামাজিক অস্থিরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি জনমনে সৃষ্টি হচ্ছে অশান্তি। উন্নয়ন সমৃদ্ধ একটি স্বর্নিভর বাংলাদেশ দেখতে চাইলে একটি সুন্দর সমাজ বিনির্মানের জন্য সবাইকে মাদক সহ অনৈতিক, অপকর্মকান্ডের বিরুদ্ধে ভুমিকা পালন করতে হবে।প্রয়োজনে জনমত তৈরী করে সামাজিক আন্দোলন জোরদার করতে হবে।
নেতিবাচক এসব কাজের ব্যাপারে বিশেষ করে কোমলমতি শিক্ষার্থী ও বর্তমান প্রজন্মকে সচেতন করে তুলতে হবে। চাকরীর খাতিরে এর আগে এ থানায় অনেক পুলিশ কর্মকর্তা এলেন-গেলেন, কিন্তু,,,,,,,, এ থানায় কর্মকর্তা হিসাবে যোগদানের পর থেকে এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখার পাশা-পাশি বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন তিনি। কি ভাবে অপরাধীকে কৌশলে অন্ধকার জগত থেকে ফিরিয়ে আনতে হবে বেশ ভালোই জানেন সাহসী চৌকস এ পুলিশ কর্মকর্তা। বর্তমানে তিনি এ থানায় যোগদানের পর থেকে আজ পর্যন্ত একটা লোকও বিনাদোষে গ্রেপ্তার হয়নি। নির্দোষ কাউকে ফাঁসাতে পারেনি কোন প্রভাবশালী বা সার্থান্বেষি ব্যক্তি’রাও। দোষী ব্যক্তি ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে ও পার পায়নি। কোন মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসীর কাছ থেকে মাশোয়ারা নেয়- নি। কোন প্রভাবশালী ব্যক্তি পুলিশকে ব্যবহার করতে পারেনি।
এই কর্মকর্তা এ থানায় আসার পর থেকে কোন মাদক ব্যবসায়ী পার পায়নি, সে সকল অপরাধিরা অনেক ভাবে স্বরযন্ত্র করেও তার কাজের অগ্রযাত্রাকে দমাতে পারেনি এক চুল ও।
অবশেষে অনেক অপরাধী তার কাছে নত শিকার করতে বাধ্য হয়েছে।
আর এই সফলতার মূল নায়ক বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ দমনের সুপার হিরো খ্যাত এ সকল কর্মকর্তারা।
পুলিশের রুটিন ওয়ার্কের বাইরেও সাহসী এ পুলিশ কর্মকর্তা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন দেশ এবং জাতীর কল্যাণের জন্য।
তিনি একজন সৎ, নি:স্বার্থ, নির্লোভ, সহজ-সরল, মানবিক পরিচ্ছন্ন ও রুচিশীল ডায়ানামিক অফিসার হিসেবে আদাবর বাসীর সত্যিই নজর কেড়েছেন তিনি।
স্থাপন করেছেন অনন্য উদাহরণ।
তাই তিনি বর্তমানেও আদাবরর বাসী তথা বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর কাছে একজন মানবিক ও চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
এছাড়াও এই মানবিক পুলিশ কর্মকর্তার অনেক প্রশংসনীয় গুণাবলি রয়েছে যা অবর্ণনীয় ।
আদাবর থানা এলাকার বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও জনকল্যান মুখি পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া সোনার বাংলার অসমাপ্ত কাজগুলো করে যাচ্ছেন তার সুযোগ্য কণ্যা, জণনেত্রী শেখ হাসিনা, তার অংশ হিসেবে ডিজিটাল বাংলার পরে, স্মার্ট বাংলা গড়ার লক্ষ্যে নিড়লস কাজ করে যাচ্ছেন, আর আমরা তার হাতিয়ার হিসেবে দেশ ও দেশের জনগণের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার লক্ষ্যে যে কোনো প্রতিকুলতার মোকাবেলা করে জনগণের মুখে হাসিঁ ফোঁটানোর লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি, যেমন এখন সামাজিক উন্নয়নে বাধা হয়ে দাড়িয়েছে, কিশোর গ্যাং এর উৎপাত, মাদক, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড,চাঁদাবাজি, মারামারি, রাহাজানি, চুরি ডাকাতি, এগুলো আদাবর থানা এলাকায় এখন অনেকটাই কম,আমার কাছে কোনো দুষ্কৃতীকারীদের ছাড় নাই, সে ক্ষেত্রে আমি যে কোনো প্রতিকুলতার মোকাবেলা করে আদাবর বাসীদের নিশ্চিন্তে বসবাস করার অভয় দিচ্ছি ইনশাআল্লাহ ।
Leave a Reply