গত রোববার রাতের আঁধারে মাটি কাটার অভিযোগ উঠেছে।
সদর উপজেলা প্রশাসন সূত্র, উম্মে কুলছুমের স্বামীর ওয়ারিশ সূত্রে মালিক ও দখলকার আছে। চর আলী হাসান মৌজার ২ একর ফসলি জমিতে সয়াবিন ফসল থাকা অবস্থায় গত রোববার (১৪ এপ্রিল) রাতে আনুমানিক ১২-১টায় প্রতিপক্ষ বেকু মেশিন দিয়া আমাদের ভূমি হইতে ফসল নষ্ট করে ও মাটি কাটে নেয়। এতে অনেক ক্ষতি হয়। পরের দিন গত সোমবার (১৫ এপ্রিল) সকালে একজন প্রতিনিধি পাঠাই এবং জানতে পারি যে, গভীর রাতে মাটি কাঁটায় এলাকার লোকজন হতবাক। অভিযুক্ত ব্যক্তি পূর্বের পরিকল্পিত ভাবে কাজটি করে। এরপর আমার লোকের কাছে বলে যে, মোঃ হানিফ বাংলাদেশ জামায়েতের একজন বড় নেতা, তার বিরুদ্ধে কোন আইনী ব্যবস্থা নিতে পারবো না। এইভাবে আমাকে না জানিয়ে মোঃ হানিফ, বেকু ড্রাইভার আলমগীর হোসেন সোহেলকে মাটি কাটার আদেশ প্রদান করে।
ভেকুর চালক বলেন, তিনি চুক্তিতে মাটি কেটে দিচ্ছেন।
জমির মালিক উম্মে কুলছুম বলেন, তাঁর জমি থেকে মাটি কেটে নিচ্ছে ঠিকই; পাশের জমি থেকে মাটি কেটে নেয়নি। আমি এর সঠিক বিচার চাই।
অভিযুক্ত মো. হানিফ বলেন, মহিলার জমির রাস্তার বিপরীত পাশে টিনের ঘর, পাকা দালান কোঠা ও বিভিন্ন ফলজ গাছ থাকার কারণে মাটি নেওয়া সম্ভব হয়নি। তাই মহিলার জমি থেকে মাটি কাটতে বাদ্য হই। জমির ইজারাদার মোস্তফা হাওলাদারের সাথে কথা হলে তিনি জানান ভাই সমস্যা নেই মাটি কাটেন। জমির মালিককে বলেছি ক্ষতি পূরণ দিবো তবে এ বিষয় অভিযোগের প্রয়োজন নেই।
সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জামশেদ আলম রানা বলেন, এ-সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি কি? তা দেখবো।
Leave a Reply