মতিঝিলের শাপলা চত্বরে মহাসমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছিল জামায়াত। বিষয়টি চিঠি দিয়ে ডিএমপিকে জানিয়েছিল দলটি। তবে শাপলা চত্বরে মহাসমাবেশ করার লিখিত অনুমতি মেলেনি। এরপর শনিবার সকাল থেকে মতিঝিল এলাকায় জড়ো হতে থাকেন দলটির নেতাকর্মীরা।
তবে জামায়াতের কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করতে সকাল ৯টার দিকে দলটির হাজার হাজার নেতাকর্মী জড়ো হন শাপলা চত্বরের দক্ষিণ পাশে। এ সময় পুলিশ দলটির নেতাকর্মীদের সরিয়ে দেয়। এর পর তারা একটু দূরে গলিতে অবস্থান নেন।
এই মুহূর্তে শাপলা চত্বরের আশপাশে জামায়াতের হাজার হাজার নেতাকর্মী অবস্থান করছেন। তবে কোনো পক্ষই মারমুখী আচরণ করেনি। বেশ শান্তিপূর্ণভাবেই মূল সড়ক থেকে ভেতরের অলিগলিতে অবস্থান করছেন তারা। সেখানে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন দলটির নেতাকর্মীরা।
জামায়াতের নেতাকর্মীরা বলেন, স্বাধীন দেশে সবাই সমাবেশ করবে। আমরাও সাংবিধানিকভাবে সমাবেশের অধিকার রাখি।
এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) এডিসি রাশেদ বলেন, ‘মতিঝিল ও আশপাশে কোনো ব্যক্তি থাকবে না। একটি পাখিও থাকতে পারবে না।’ এর পর সবাইকে মূল সড়ক থেকে সরিয়ে দেন তিনি।
তবে শাপলা চত্বর এলাকার আশপাশের গলিতে জামায়াত সমর্থকদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুরো এলাকা ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছে পুলিশ। ওই এলাকায় পুলিশ ও আনসার সদস্যদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো।
এদিকে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, জামায়াতকে সমাবেশের অনুমতি এখনো দেওয়া হয়নি, তার পরও চেষ্টা করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজ শনিবার (২৮ অক্টোবর) মতিঝিলের নটরডেম-আরামবাগ মোড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মো. আসাদুজ্জামান বলেন, যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় মোতায়েন রয়েছে পুলিশের পর্যাপ্ত ফোর্স।
Leave a Reply