বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আওতাধীন হেড অফিস খামার বাড়ীর নির্দেশনায় নোয়াখালী জেলা ও ৯ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস প্রাঙ্গণে ১৯ জুন – ২১ জুন পর্যন্ত ৩ দিন ব্যাপী দেশীয় জাতের ফল মেলা সমাপ্ত হয়। কৃষি অফিস সূত্রে, কৃষকদের উৎপাদিত দেশীয় ফলের বিভিন্ন প্রজাতির ফল এ মেলার মাধ্যমে দেশীয় ফলের গুরুত্ব ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে কৃষি অফিসারগণ মনে করছে। প্রত্যেক জেলা ও উপজেলায় অনুষ্ঠিত ফল মেলা কৃষি বিভাগের তত্ত্বাবধানে আয়োজনে করা হয়েছে। স্থান পরিদর্শনে, ফল মেলায় আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, লটকন, ড্রাগন সহ বিভিন্ন ধরনের দেশীয় কমপক্ষে ৫০ জাতের ফল স্টলে দেখা যায় । ড. মীরা রানী দাস, উপ-পরিচালক, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর সভাপতিত্বে জেলা কৃষি অফিস প্রাঙ্গণে ফল মেলা উদ্বোধনীতেন প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা প্রশাসক খন্দকার ইশতিয়াক আহমেদ। একইদিনে, সদর উপজেলা প্রাঙ্গনে কৃষি অফিসার মোঃ মোশরেফুল হাসান সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি নির্বাহী আখিনূর জাহান নীলা ; বেগমগঞ্জ কৃষি অফিসার আলিমুজ্জামান খাঁন সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমান; চাটখিল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জুনায়েদ আহমেদ সভাপতিত্বে নির্বাহী কর্মকর্তা প্রধান অতিথি সোনাইমুড়ী ও সেনবাগ কৃষি অফিসার নুরে আলম সিদ্দীক সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন নির্বাহী কর্মকর্তা; কোম্পানীগঞ্জ কৃষি অফিসার মোঃ বেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি তানভীর ফরহাদ শামীম, নির্বাহী কর্মকর্তা ; কবিরহাট কৃষি অফিসার মোঃ শামস এ আরেফিন সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি নির্বাহী কর্মকর্তা ; সুবর্ণচর কৃষি অফিসার হারুন-অর-রশিদ সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি নির্বাহী কর্মকর্তা রাবেয়া আফসার সায়মা এবং হাতিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলা উদ্দিন উদ্বোধনের তিনদিন ব্যাপী দেশীয় জাতের ফল মেলায় গতকাল সমাপ্ত হয়। মেলায় প্রত্যেক উপজেলা কৃষি অফিসের অন্যান্য কৃষি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং কৃষাণ- কৃষাণীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ করা যায়। অন্যদিকে, মেলায় উপস্থিত কৃষক হাকিম, জব্বার, আলী ও রহমত এবং কৃষাণীদের মধ্যে রোমানা, ইয়াসমিন ও রোকসানা বলেন, বাড়ীতে ও রাস্তায় মৌসুমি ফল রোপণ করলেও প্রতিবছর জলাবদ্ধতা হয়ে ফলগাছ সহ অন্যান্য মরে যায়। প্রতিবছর অফিসে বলা হলেও কিন্তু কোন ব্যবস্থা নেই ! কৃষাণ ও কৃষাণীরা আরা অভিযোগ করেন খালের উপর বিভিন্ন দলের নেতারা বাড়ী ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলছে। জেলা প্রশাসক সহ ৯ উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) কে কৃষি ব্যবস্থার উন্নতি কল্পে জলাবদ্ধতায় বন্যার কবল থেকে রক্ষা করার জোর melaঅনুরোধ করেন কৃষকরা।
Leave a Reply