বিক্রেতারা বলছে, বাজারে নতুন পেঁয়াজ নামায় দাম কমতে শুরু করেছে। আর দাম কমে আসায় কিছুটা স্বস্তি এসেছে ক্রেতাদের মাঝে।
ভোক্তা অধিকার টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলম বলেন, ‘পেঁয়াজের অস্থির বাজার তদারকি করছি। আজ বাজার অনেকটাই স্থিতিশীল হয়ে এসেছে। এলসি পেঁয়াজ ১১০ টাকা থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গতকাল যা ছিল ১৮০-২২০ টাকা। আমাদের তদারকি অব্যাহত থাকবে।’
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, পেঁয়াজের দাম আগামীতে আরও কমবে।
এর আগে, ৮ ডিসেম্বর (শুক্রবার) অভ্যন্তরীণ বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে রপ্তানির ওপর ন্যূনতম মূল্যের বিধিনিষেধ আরও তিন মাস বাড়িয়ে দেয় ভারত সরকার।
ভারতের এমন বিধিনিষেধে দেশের বাজারে একদিনের মধ্যেই পেঁয়াজের দাম হয়ে যায় দ্বিগুণ। শনিবার দিবাগত রাত ২টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজার আড়তে গিয়ে দেখা যায়, দেশি পেঁয়াজ ছাড়াও ঘাটতি নেই আমদানি করা ভারত ও চায়নার পেঁয়াজের। এরপরও দাম ছিল ঊর্ধ্বমুখী।
পার্ক বাজারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রাজু জানান, বৃহস্পতিবার পাইকারিতে দেশি পেঁয়াজ ১৩০ টাকায় কিনলেও শনিবার রাতে তা বেড়ে হয়েছে ২০৫ টাকা। আর ভারতীয় পেঁয়াজ ৯৮ টাকা থেকে বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৬৫ টাকায়।
আর পায়কারি একদিনের ব্যবধানে কেজিতে ৬০ থেকে ৮০ টাকা বাড়লেও খুচরায় বিক্রি হয় দ্বিগুণ দামে। ছয়ানি বাজারেই খুচরা প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ২২০ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ১৭০ টাকা ও চায়নার পেঁয়াজ ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হয়।
Leave a Reply