২০০৮ সালে বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌরাস্তার উত্তর পার্শ্বেই মিরওয়ারিশপুরে নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ ১৭ হয়। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিজস্ব হাসপাতাল ও শিক্ষার্থীদের বিষয় ভিত্তিতে ল্যাবরেটরীর অনেক উপকরণ এখনও পাওয়া যায়নি ! দৈনিক আমার সময় অনুসন্ধানী রিপোর্টে উঠে আসে গণপূর্ত অধিদপ্তর কর্তৃক সম্ভাব্য আর্থিক ব্যয় পতিবেদন তৈরি না করায় ২০২৩ সালে জানুয়ারির ১৪ তারিখে ওই সময়ের অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী অত্র কলেজের প্রকল্প বাতিল করে। ক্রমান্বয়ে অন্যান্য মিডিয়া তা প্রকাশিত হয়। বহু বাধা প্রতিবন্ধকরা পরে গত ২০২৩ সালের ২৯ আগস্ট একনেকে অত্র মেডিকেল কলেজ ও নুরুল হক আধুনিক হাসপাতাল সহ (যশোর, কক্সবাজার, পাবনা ) মোট চারটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন হয়। এবিষয়ে কল করলে প্রকল্প পরিচালক ড. মোহাম্মদ আমজাদুল হক বলেন, জুলাই-আগস্ট ২০২৪ অন্তবর্তীকালিন সরকার অত্র মেডিকেল কলেজ সহ ওই চারটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্পের কাজ সাময়িক স্থগিত করলেও গত মাসে স্থগিতাদেশ আবার প্রত্যাহার করে। প্রকল্পের কাজ শুরু করতে এখন আর বাধা নেই বলে তিনি নিশ্চিত করেন। কিন্তু স্থান পরিদর্শনে দেখা যায় প্রকল্পের কাজ শুরুর বাধার অংশ হিসেবে হাসপাতালের ১০ তলা মূল ভবন নির্মাণ স্থলে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের দায়িত্বে নিয়োজিত (পিজিসিবি) নির্মিত ১৩২/৩ কেভির পিলার এখনও স্থানান্তর হয়নি। এবিষয়ে জানতে পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুর রশিদ খানকে কল করে পাওয়া যায়নি । অন্যদিকে, নোয়াখালী গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ কামরুল হাছান দৈনিক আমার সময়কে জানান, ওই পিলার স্থানান্তরে গত ০৪/০৬/২০২৪ ইং তারিখে চেক নং-এসএ ৭৬৯১৩১৫ তে ১৪ কোটি ২ লাখ ২৪ হাজার পাঁচশত ঊনাশি টাকার চেক গ্রিড কোম্পানী অব বাংলাদেশ লিমিটেড কর্তৃপক্ষকে প্রদান করা হয়। মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণ বিষয়ে অত্র মেডিকেল কলেজ অধ্যক্ষ ডা. আমিনুর রহমান ১৭ বছর ধরে অত্র মেডিকেল কলেজ নির্মাণ বন্ধে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তিতে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, নিজস্ব হাসপাতাল না থাকায় শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ ক্লাসের জন্য দীর্ঘ ১০ কিলোমিটার পথ যেতে হয় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে। এতে শিক্ষার্থীরা ও শিক্ষানবিশ চিকিৎসকেরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে জানান তিনি। অন্যদিকে, বিশেষ অনুসন্ধান সূত্রে, গণপূর্ত পিজিসিবিকে পিলার স্থানান্তরে অর্থ দিলেও অভ্যুত্থান পরিবর্তীতেও আওয়ামী স্বৈরাচারপন্থী স্¦াধীন চিকিৎসা পরিষদ (স্বাচিপ) সভাপতি ডা. ফজলে এলাহী খান ও সাধারণ সম্পাদক ডা. মাহবুবুর রহমান চক্র এখনও সক্রিয় হওয়াতে পিজিসিবি কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে পিলার স্থানান্ত কাজ বন্ধ রাখছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছিক মেডিকেল কলেজ সূত্রে, পিজিসিবি যখন পিলার স্থানান্তরে পরিমাপ শুরুর তিনদিন পরে মাইক্রোবাস যোগে কিছু লোক কাজের লোকদের বলে পিজিসিবির উপরে ম্যানেজ হয়েছে আমরা বলা পর্যন্ত পিলার স্থানান্তর হবে না ! এখানে এতো বড় হাসপাতাল হলে বেসরকারি হাসপাতাল ভাতে মরবে ! পিলার স্থানান্ত বিষয়ে জানতে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুর রশিদ খানকে কয়েক দিন ধরে কল করে পাওযা যায়নি ।
Leave a Reply