দীর্ঘদিন চাকরি করার পর ভাইয়ের প্রতিষ্ঠানে ব্যবসা করার প্রত্যাশায় চাকরি ছাড়লেও আর ব্যবসা করা হয়ে উঠলো না রাউজানের আমিরাত প্রবাসী নুরুল আলমের। তিনি রাউজানের মধ্যম কদলপুর ইউনিয়নের মো: ইউনুস মিয়ার ছেলে। সাত ভাই-দুই বোনের মধ্যে নুরুল আলম ছিলেন পঞ্চম।
তার ভাই মোহাম্মদ আমিনুল জানান, আমরা সবাই ছিলাম যৌথ ফ্যামিলিতে। সুন্দর ভাবেই কাটছিলো দেশে এবং প্রবাসে। জীবনের এতটি বছর অতিক্রম করার পরেও তাদের ভাই-বোনের সম্পর্ক ছিল খুব মধুর। কিন্তু একটি সড়ক দুর্ঘটনা আমাদের কাছ থেকে কলিজার টুকরো ভাইকে আলাদা করে দিলো।’
তিনি আরো জানান, নুরুল আলমকে তার রেফারেন্সে একটি কোম্পানিতে ২০০৪ সালের মার্চ মাসে কর্মী ভিসায় এনেছিলেন আমিরাতে। দীর্ঘ বছর পেরোনোর পর তার ভাইকে তিনি ব্যবসা করানোর উদ্দ্যেশ্যে একটি কোম্পানি থেকে কেনসেল করে দুই মাস আগে ফুজাইরা প্রদেশের তার নিজস্ব নতুন একটি রেস্টুরেন্টের ভিসার জন্যে আবেদন করেন। যেখানে কথা ছিল চাকরি জীবন শেষ করে নুরুল আমিনের ব্যবসায় পথ চলার শুরু করার। ভিসা লাগানোর সকল প্রসেসিং সম্পন্ন শেষে সোমবার ছিল তার মেডিকেল ফিটনেস চেক করার দিন। ভিসা লাগানো সম্পন্ন হলে তিনি দেশে যাওয়ারও কথা ছিল। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনা যেন নুরুল আলমের স্বপ্নকে গুড়িয়ে দিলো।
তিনি দশ বছর আগে সাথী আক্তারের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে এবং এক মেয়ে রেখে যান। আমিরাতের সব আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তার লাশ দেশে পাঠানো হবে। লাশ বর্তমানে ফুজাইরা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।
Leave a Reply