বাঙালির প্রাণের ও আবেগিত মনের অনুভূতি আদান-প্রদানের মেলা বইমেলা। এবারের বইমেলা জ্ঞানপিপাসু বাঙালির মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে দুবাইয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেট প্রাঙ্গণ। কবি, লেখক, পাঠক এবং দর্শনার্থীর পদচারণায় সরগরম হয়ে উঠছে মেলাপ্রাঙ্গণ।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, নতুন বইয়ের তাজা ঘ্রাণে আমোদিত স্টলে স্টলে ঘুরে ঘুরে সব বয়সীর মানুষ নিজেদের পছন্দমত বই কিনেছেন। কেউবা বইর পাতা মেলে দেখেছেন। কেউবা এমন মুহুর্তটাকে ক্যামেরায় বন্ধী করে রেখেছেন। কেউবা এসেছেন শুধু বইমেলায় ঘুরতে। রবিবার ছিল মেলার শেষ দিন। ছুটির দিন হওয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের পদচারণা ছিলো চোখে পড়ার মতো। বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত দুবাই বইমেলায় বেশ সমাগম ছিল।উদ্বোধনের পর পরই ধীরে ধীরে মাঠে আসতে শুরু করে সব বয়সীর মানুষ। লেখক, পাঠক, সাংস্কৃতিক কর্মী, প্রবাসী শিক্ষার্থীদের প্রচন্ড ভিড় দেখা যায়। মেলায় ৫২তম বিজয় দিবস উপলক্ষে ৫২ শতাংশ মূল্য ছাড় ছিল।
প্রবাসী জাকিয়া জাহান বলেন, দূর প্রবাসে বাংলা বইয়ের মেলায় আগামীতে আরও বেশি বই প্রত্যাশা করি। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বিকাশ ঘটাতে দেশীয় অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বইমেলার আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা করি।
বইমেলার একপাশে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রতিদিন বিকালে চলে বিতা, প্রবন্ধ, নৃত্য এবং নতুন বইয়ের মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠান। আজ তিনদিনব্যাপী বইমেলার পর্দা নামবে।
Leave a Reply