সরকার ২০২৩/২৪ অর্থবছরে আমন মৌসুমে ধান ও চাল সংগ্রহ নীতিমালা ঘোষণা করেছে।ঘোষিত নীতিমালা অনুযায়ী চলতি আমন মৌসুমে অভ্যন্তরীণ বকশীগঞ্জ উপজেলাধীন বাজার থেকে ৫৩০ টন ধান ২৫১ টন চাল কিনবে সরকার। প্রতি কেজি আমন ধানের সংগ্রহ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ টাকা কেজি। আর সিদ্ধ চাল প্রতি কেজি ৪৪ টাকা।এবারের মূল্য গতবারের তুলনায় কোন কম বেশি করা হয়নি। ০৭ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০:০০ ঘটিকায় বকশিগঞ্জ খাদ্য গুদামে অনুষ্ঠানটির উদ্ভোধন করেন বকশিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অহনা জিন্নাত,এসময় উপস্থিত ছিলেন,মোঃ সাইফুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বকশিগঞ্জ খাদ্য গুদাম। পাপন দেবনাথ, সহকারী উপ-খাদ্য পরিদর্শক, বকশিগঞ্জ খাদ্য গুদাম। আরো উপস্থিত ছিলেন মোঃ জহুরুল হক, বকশিগঞ্জ অটো রাইচ মিল,অন্যান্য প্রান্তিক কৃষক ও বকশিগঞ্জের সাধারন জনগন। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ পর্যন্ত সংগ্রহ কার্যক্রম চলমান থাকবে।
বিষয়গুলো অনেক বছর ধরে সরকারকে অভ্যন্তরীণ ধান ও চাল সংগ্রহের প্রভাবিত করে আসছে, সেগুলোর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হল, ধান কাটা ও ঘরে তুলার মৌসুমে বাজারে দাম স্থিতিশীল রাখা। আমাদের দেশে ধান চাষীদের বেশিরভাগই ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক। তারা ধার দেনা করে ফসল ফলান। তাদের সংসারে নানা অভাব-অনটন লেগেই থাকে। ফলে ধান কাটার পরপরই বহু কষ্টে ফোলানো ফসল বিক্রি করতে বাজার নিতে হয়। মৌসুমীর শুরুতে ধান চাষীরা যাতে ধানের ন্যায্য দাম পান, যা যতটা সম্ভব নিশ্চিত করতে সরকার মাঠ পর্যায়ে চাষীদের কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনে। সরকারি গুদামে তালের নিরাপত্তা মজুদ করে তোলে, যথেষ্ট পরিমাণ ধান চাল মজুদ থাকলে চাল কল মালিক ও চাল ব্যবসায়ীদের চালের দাম বাড়াতে নিরুৎসাহিত করে। সবশেষে যাচাই বাছাইয়ের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উপস্থিতিতে সংগ্রহের কার্যক্রম চলমান করেন।
Leave a Reply