সাভারে চাঁদার দাবিতে নির্মাণাধীন বাড়িতে ভাংচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। দীর্ঘ এক মাস ধরে চাঁদাবাজরা ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলো বলে অভিযোগ করেন এক ভূক্তভোগী। এ নিয়ে দফায় দফায় আলোচনার পরেও উপজেলার বিরুলিয়া ইউনিয়নের ভবানীপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী আল-আমীনের নেতৃত্বে অর্ধ শতাধিক হোন্ডাযোগে প্রায় দেড় শতাধিক সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রসহ এ ভাংচুরের ঘটনা ঘটায় বলে অভিযোগ করেন ভূক্তভোগী শিউলী আক্তার (৩৮)।
২৯ নভেম্বর (বুধবার) দুপুরের দিকে উপজেলার বিরুলিয়া ইউনিয়নের কমলাপুর পশ্চিম রাজারবাগে শিউলী বেগমের নির্মাণাধীন বাড়িতে এ ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্থানীয় চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতেই এ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। দেড়-দুইশ লোকজন আইস্যা মূহুর্তের মধ্যেই নির্মাণাধীন ইটের গাঁথুনি ভেঙ্গে ফেলে দিয়ে কাজ বন্ধ করে হুমকি দিয়ে চলে যায়।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, প্রভাবশালী একটি মহলের ইশারায় বিরুলিয়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী আল-আমীন জমি দখল, চাঁদাবাজি ও মারামারিতে লিপ্ত। তার বিরুদ্ধে ডজনখানিক মামলা চলমান। সাভার থানাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। র্যাব সহ পুলিশের হাতে আটক হয়ে বেশ কয়েকবার জেল হাজতেও গিয়েছেন। সম্প্রীতি জামিনে এসে আবারও বিরুলিয়ায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
শিউলী বেগম জানান, তার জমির সব কাগজপত্র ঠিকঠাক থাকার পরেও সন্ত্রাসী আল আমীন ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলো। চাঁদা না দেয়ায় চেয়ারম্যানের সামনেই তার নির্মাণাধীন বাড়িতে ভাংচুর চালানো হয় বলে তিনি জানান। এসময়, তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাংবাদিকদের।
ভাংচুর ও হুমকির বিষয়ে সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহের সময় সাভার মডেল থানার বিরুলিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এ এস আই মিন্টুকে ঘটনাস্থলে তদন্ত করতে দেখা গেছে।
এসকল অভিযোগের সত্যতা জানতে অভিযুক্ত আল-আমীনের গ্রামে গিয়েও খোঁজ পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।
Leave a Reply