1. admin@gmail.com : দৈনিক আমার সময় : দৈনিক আমার সময়
  2. admin@dailyamarsomoy.com : admin :
বেরোবির নতুন ট্রেজারার নিয়োগ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনা, বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন - দৈনিক আমার সময়

বেরোবির নতুন ট্রেজারার নিয়োগ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনা, বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন

আলামীন রংপুর
    প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবু হানিফ সরকারকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ট্রেজারার হিসেবে চার বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়ার পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
নিয়োগের পর ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক ব্যক্তি ও বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে তাঁর অতীত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিয়ে নানা অভিযোগ ও সমালোচনামূলক মন্তব্য প্রকাশ করা হচ্ছে। সমালোচকদের দাবি, অধ্যাপক আবু হানিফ সরকার অতীত সরকারের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। এছাড়া, অতীতে তিনি ছাত্রদল ও বিএনপিপন্থী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন বলেও সামাজিক মাধ্যমে অভিযোগ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পক্ষপাত, প্রতিহিংসাপরায়ণ আচরণসহ বিভিন্ন অভিযোগও উত্থাপন করা হচ্ছে।
এদিকে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন ফেসবুকে পোস্ট করে বলেন—
“একজন গুপ্ত জাশি; সেটিও বিষয় না, একজন মববাজ, প্রতিহিংসাপরায়ণ, কট্টর সরকার বিরোধী, বিএনপি বিরোধী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসিকে অনৈতিক ভাবে সে বীরের উদ্দেশ্যে ব্যবহারকারী বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার। আমি দায়িত্বশীল পদে ঠিক আছি, কিন্তু এতটুকু নীরবতার ক্ষত সইবে না। দুঃখিত। জামাত বা সেই বীরের কাউকেই দেন, যদি এত দায় ও মায়া থাকে। কিন্তু এমন মববাজকে? উপকার করতে চান, টাকা দেন। প্রজেক্ট দেন। এত বড় দায়িত্বে কেনো?
আমার ছাত্রদলের ছেলেদেরকে সরাসরি গালি দিয়েছে। ছাত্রদলের সবচেয়ে ক্লিন ইমেজের ছেলেদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটিয়ে বেড়ানো ভদ্রলোকের পুরস্কার দেখে অবাক।”
নিয়োগের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন শিক্ষার্থী, সাবেক শিক্ষার্থী ও সাধারণ ব্যবহারকারীরাও মতামত প্রকাশ করছেন। তাঁদের কেউ কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে দলীয় পরিচয়ের পরিবর্তে যোগ্যতা, দক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। কেউ কেউ আবার অতীতের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এবং নতুন নিয়োগ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. মো. আবু হানিফ সরকারের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© All rights reserved © dailyamarsomoy.com