কক্সবাজারে চার মাসব্যাপী শুরু হয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (বিআরটিসির“মোটরযান ড্রাইভিং ও রক্ষণাবেক্ষণ প্রশিক্ষণ”কোর্স। এতে অংশ নিচ্ছেন ১০০ জন প্রশিক্ষণার্থী।
রবিবার (৩ মে) সকালে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন “বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা” প্রকল্পের আওতায় এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সারাদেশে একযোগে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিআরটিসির চেয়ারম্যান মো. আব্দুল লতিফ মোল্লা।
কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার বাস
ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ম্যানেজার (অপারেশন) মো. জাফর আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এবং প্রশিক্ষণার্থীরা।
এসময় মো. জাফর আহমেদ বলেন,
যাচাই-বাছাই শেষে ১০০ জন প্রশিক্ষণার্থীর কোটা পূরণ করা হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে তাদের দক্ষ ড্রাইভার হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রশিক্ষণের আওতায় অংশগ্রহণকারীদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে মোটরযান ড্রাইভিং ও রক্ষণাবেক্ষণ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। প্রশিক্ষণ সমাপ্তির পর আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হবে। এছাড়া চক্ষু পরীক্ষার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে চশমা সরবরাহ করা হবে। সফলভাবে প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারীদের সার্টিফিকেট ও পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করা হবে।
প্রশিক্ষণার্থীদের নির্বাচনের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র থাকা, ন্যূনতম অষ্টম শ্রেণী বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া, বয়স কমপক্ষে ২১ বছর এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে সক্ষম হওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
এছাড়া নারী ও তৃতীয় লিঙ্গের আবেদনকারীদের বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য শর্ত সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়েছে।কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার বাস
ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ম্যানেজার (অপারেশন) মো. জাফর আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এবং প্রশিক্ষণার্থীরা।
এসময় মো. জাফর আহমেদ বলেন,
যাচাই-বাছাই শেষে ১০০ জন প্রশিক্ষণার্থীর কোটা পূরণ করা হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে তাদের দক্ষ ড্রাইভার হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রশিক্ষণের আওতায় অংশগ্রহণকারীদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে মোটরযান ড্রাইভিং ও রক্ষণাবেক্ষণ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। প্রশিক্ষণ সমাপ্তির পর আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হবে। এছাড়া চক্ষু পরীক্ষার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে চশমা সরবরাহ করা হবে। সফলভাবে প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারীদের সার্টিফিকেট ও পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করা হবে।
প্রশিক্ষণার্থীদের নির্বাচনের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র থাকা, ন্যূনতম অষ্টম শ্রেণী বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া, বয়স কমপক্ষে ২১ বছর এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে সক্ষম হওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
এছাড়া নারী ও তৃতীয় লিঙ্গের আবেদনকারীদের বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য শর্ত সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়েছে।
Leave a Reply