রিয়াদ- আওয়ামী রেমিট্যান্স যোদ্ধা সৌদি আরর আওয়ামী লীগের -এর উদ্দেগ্যে যথাযোগ্য মর্যাদায় ও ভাবগম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার মহান স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর ৪৮তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে (১৭ আগষ্ট) রাজধানী রিয়াদে হোটেল এপোলো ডিমোরা হলরুমে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পবিত্র কুরআন থেকে তেলোয়াত, জাতীয় সংগীত পাঠ এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বরণে এক মিনিট নিরবতা পালনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। আব্দুল মান্নান, ফারুক খান, শহীদ মুন্সির যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী রেমিট্যান্স যোদ্ধা সৌদি আরর আওয়ামী লীগ সভাপতি, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক, সাবেক বিপ্লবী ছাত্রনেতা জনাব ইস্কান্দার আলী খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী রেমিট্যান্স যোদ্ধা সৌদি আরব আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব ফজল করিম তালুকদার। রিয়াদ মহানগর আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি মো: আরকান শরীফ। রিয়াদ মহানগর আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সজিব খান। রিয়াদ শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ জামাল হোসেন। বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটি বাংলাদেশ সহ সভাপতি ডা.কাজী মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান। রিয়াদ বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো:তানভীর সিকান্দার। রিয়াদ বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: আরিফুর রহমান। ফেন্ডস অফ বাংলাদেশ রিয়াদ,আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মো: ঈশা উল্লাহ। বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক মো: খাদেমুল ইসলাম। ইমরান হোসেন, রাসেল দেওয়ান, বাবু নন্দলাল সরকার, আলমগীর মন্ডল, এনায়েত খান,আব্দুল্লাহ আল মামুন, মুহাম্মদ ইউসুফ খানসহ আরও অনেকে।
প্রধান অতিথি জনাব ইস্কান্দার আলী খান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অতুলনীয় অবদান ও তাঁর জীবনের উল্লেখযোগ্য দিকগুলো তুলে ধরেন এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের কালরাতে ঘাতকের হাতে নিহত হন বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যগণসহ সকল শহিদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর প্রাণনাশের মাধ্যমে ষড়যন্ত্রকারীরা শুধু ব্যক্তি মুজিবুর রহমানকে হত্যা করেনি, তারা চেয়েছিল বঙ্গবন্ধুর আদর্শ তথা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নিশ্চিহ্ন করতে। কিন্তু ঘাতকেরা বাঙ্গালির মন থেকে যেমন বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছবিকে মুছে ফেলতে পারেনি, তেমনই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার চিরন্তন শিখাকেও নিভিয়ে দিতে পারেনি। ১৫ আগস্ট ১৯৭৫-এর বর্বর হত্যাকান্ড স্মরণ করে এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উপর বারংবার আক্রমণের কথা উল্লেখ করে সতর্ক করেন যে, স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির ষড়যন্ত্র কখনো থেমে থাকেনি। প্রতিক্রিয়াশীল চক্রের এই হুমকী মোকাবেলা করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশের উন্নয়নের ধারা চলমান রেখে, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রেখে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবে রূপান্তর করার কাজে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হবার জন্য আহবান জানান।
অনুষ্ঠানের সবশেষে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যগণসহ সকল শহিদের স্মরণে এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে দোয়াও মোনাজাত করা হয়।
Leave a Reply