সোহাগের এসব ঘুষ বাণিজ্য আর দুর্নিতীর কারনে ভবন নির্মাতাদের অনিয়ম তদন্তে” আমার সময়ের” এক তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসে বেশ কিছু প্রমানসহ তথ্য।
শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া ইবরাহীমপুর ও কাফরুল অঞ্চলে রাজউকের ভবন নির্মানের নিতীমালা মানা হয়নি অধিকাংশ মালিকানা বা ডেভেলপার কোম্পানির নির্মিত বা নির্মাণাধীন ভবনে, তার মধ্যে ডেভিয়েশন, রাস্তার প্রশস্ততা, ভবনের ইনডোর আউটডোরের অবকাঠামোর ব্যাতিক্রম করা হয়েছে বিভিন্ন ভবনে, আবার ৬ তলার অনুমোদন নিয়ে ৯ তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মান, রাজউকের প্ল্যান অমান্য করে নীচতলায় আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মান সহ বিভিন্ন অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়।
এমনকি কেউ কেউ আবার রাজউকের কোনো অনুমোদন ছাড়াই নির্মান করেছেন বহুতল ভবন।
রাজউকের নকশা বহির্ভূত বাড়ী নির্মানের বিরুদ্ধে নোটিশ করলেও তা অদৃশ্য কারনে বিলুপ্ত হয়ে যায় এমন অভিযোগ,দুর্নীতি আর অনিয়ম নিয়ে রাজউক জোন -৩/ ১ এলাকার পরিদর্শক সোহাগ এর বক্তব্য নিতে অফিসে গেলে তিনি জানান যে, সাংবাদিকদের কেনো বক্তব্য দেওয়া তাদের উপরস্থ কর্মকর্তাদের নিষেধ আছে।
Leave a Reply