বৃহস্পতিবার ২৭ জুন’২৪ সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত মিরপুর থানাধীন ২ নম্বর সেকশনের জি/১ ব্লক ৮নং, ১৫নং ও ১৬নং রোডে; চ ব্লকের ২নং রোডে এবং শাহ্ আলী থানাধীন মিরপুর সেকশন ১এর বি ব্লক এলাকার সাইন পুকুর রোডে এই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানো হয়। এই ভ্রাম্যমাণ আদালতের উচ্ছেদ কার্যক্রম এর পরিচালনা করেন রাজউক জোন ৩ এর পরিচালক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাজিনা সারোয়ার।
ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে উচ্ছেদ কার্যক্রম শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাজিনা সারোয়ার দৈনিক আমার সময়”কে বলেন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ জোন ৩/১ আওতাধীন মিরপুর থানাধীন এলাকার ২ নম্বর সেকশনের জি/১ ব্লকের ৮নং, ১৫নং ও ১৬নং রোডে রাজউক নকশাবহির্ভূত ভবন নির্মাণ করায়, ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করি। এই সময়ে নকশাবহির্ভূত তটি বহুতল ভবনের আংশিক অপসারণ করা হয় এবং চ- ব্লকের ২নং রোডের ১টি ভবনের সেটব্যাক ও ভয়েড এ ব্যত্যয় পাওয়া গেছে বিধায় উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। একই সঙ্গে তারা যেন পরবর্তীতে রাজউকের অনুমোদিত নকশার বাহিরে নির্মাণকৃত অংশ নিজ নিজ দায়িত্বে ভেঙ্গে ফেলে ভবন নির্মাণ করে সে বিষয়ে নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে মুচলেকা নেওয়া হয়। তিনি আরও বলেন ২০২৩ এর সংশোধিত নিয়ম অনুসারে এখন থেকে হাউজিং এর প্লট সমূহে আর কোন প্রকার জয়েন্ট কোয়ার্টার নিয়মে ভবন নির্মাণ করা যাবেনা এখন থেকে ভবনের চতুর্দিকে যায়গা ছেড়ে ভবন নির্মাণ করতে হবে।
এসময় ভবন মালিক পক্ষ উপস্থিত থেকে রাজউকের অনুমোদিত নকশা মেনে ভবন নির্মাণ করবেন বলে নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে মুচলেকা দেন। ভবিষ্যতে ভবনের নকশাবহির্ভূত কোনো কাজ করবেন না বলে জানান তারা।
শাহ্ আলী থানাধীন মিরপুর সেকশন ১ এর বি ব্লক এলাকার উচ্ছেদ সম্পর্কে রাজউক জোন ৩ এর পরিচালক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাজিনা সারোয়ার দৈনিক আমার সময়’কে বলেন, আমরা এখানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছি। মালিক পক্ষের কাউকেই পাওয়া যায়নি তাই ভবনের রাস্তার পার্শ্বস্থ বর্ধিত অংশ ভেঙ্গে দিয়েছি।
ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা সম্পর্কে রাজউক জোন ৩/১ এর অথরাইজড অফিসার শেখ মাহাব্বীর রনি দৈনিক আমার সময়’কে বলেন, ভবন নির্মাণে রাজউক অনুমোদিত নকশা মেনে ভবন নির্মাণ করার বিষয়ে বারবার সতর্ক করার পরেও যে সকল ভবন নির্মাণকারীগণ রাজউকের ভবন নির্মাণ বিধি লঙ্ঘন করে ভবন নির্মাণ করছে তাদের বিরুদ্ধেই আজকের এই মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা সহ কোন ভবন নির্মাণকারী রাজউকের ভবন নির্মাণ বিধি লঙ্ঘন না করে তা সতর্ক করনের জন্যই এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা। জনস্বার্থে রাজউকের এই মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে উচ্ছেদ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের উচ্ছেদ কার্যক্রমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন রাজউক জোন-৩/১ এর অথরাইজড অফিসার শেখ মাহাব্বীর রনি। এছাড়াও সহকারী অথরাইজড অফিসার, প্রধান ইমারত পরিদর্শক, ইমারত পরিদর্শক মো. শফিকুল ইসলাম ও ইমারত পরিদর্শক নাঈমুল সহ রাজউকের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।
Leave a Reply