1. admin@gmail.com : দৈনিক আমার সময় : দৈনিক আমার সময়
  2. admin@dailyamarsomoy.com : admin :
ফিটনেস ও বৈধ কাগজপত্রহীন শতাধিক বাস-মিনিবাস দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নগর-মহাসড়কে, ট্রাফিক পুলিশের অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ - দৈনিক আমার সময়

ফিটনেস ও বৈধ কাগজপত্রহীন শতাধিক বাস-মিনিবাস দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নগর-মহাসড়কে, ট্রাফিক পুলিশের অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ

জাকারিয়া হোসেন চট্টগ্রাম
    প্রকাশিত : সোমবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬

ফিটনেস সনদ ও বৈধ কাগজপত্রবিহীন, এমনকি ১২ থেকে ১৪ বছর আগেই মেয়াদোত্তীর্ণ শতাধিক বাস, মিনিবাস ও এসি বাস চট্টগ্রাম নগরীর প্রধান সড়ক থেকে মহাসড়ক পর্যন্ত অবাধে চলাচল করছে—এমন গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, এসব অবৈধ যানবাহন ট্রাফিক পুলিশের কিছু কর্মকর্তার সঙ্গে অর্থনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে নির্বিঘ্নে চলাচল করছে।
সাম্প্রতিক একাধিক তথ্যসূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম নগরীর সিইপিজেড ও কেইপিজেড এলাকায় প্রতিদিন স্টাফ স্পেশাল সার্ভিস বা ইপিজেড রিজার্ভ সার্ভিস নাম ব্যবহার করে চলাচল করছে এসব মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন। অভিযোগ রয়েছে, সিমেন্ট ক্রসিং ও এয়ারপোর্ট এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ (টিআই) কাওসার এবং ফ্রিপোর্ট এলাকার টিআই কামরুজ্জামান সুজনের সঙ্গে মোটা অংকের অর্থ লেনদেনের বিনিময়ে এসব গাড়িকে চলাচলের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
তথ্য অনুযায়ী, বিআরটিএর অনলাইন ডাটাবেজে গাড়ির নম্বর যাচাই করে দেখা যায়—এসব গাড়ির অধিকাংশের কাগজপত্র ১২ থেকে ১৪ বছর আগেই মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে। অথচ বাস্তবে সেগুলো প্রতিদিন যাত্রী পরিবহনে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ট্রাফিক ইনচার্জদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কোনো স্পষ্ট বা সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি। পরবর্তীতে বিষয়টি সহকারী পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক, বন্দর বিভাগ)–কে অবহিত করা হলে তিনি বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।
অন্য একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, এই অবৈধ যান চলাচলের পেছনে রয়েছে একটি বৃহৎ সিন্ডিকেট। সিন্ডিকেটটির সঙ্গে ‘গাড়ির কোম্পানি’ পরিচয়ে একাধিক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, এই চক্রের মধ্যে কিছু প্রতারকও রয়েছে, যারা ইপিজেড সার্ভিসের গাড়ি দেওয়ার নাম করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে, যার পুরোটাই প্রতারণা।
এদিকে পরিবহন সেক্টরের অন্যান্য মালিক সমিতি ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বললে তারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাদের ভাষ্য, সবকিছুই ট্রাফিক পুলিশের কিছু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করেই চলছে। এমন অনেক গাড়ি রয়েছে, যেগুলো রাস্তায় চলাচলের একেবারেই অনুপযোগী। এসব গাড়িতে ইপিজেড রিজার্ভ সার্ভিস স্টিকার লাগিয়ে সকালে ইপিজেড এলাকায় প্রবেশ করানো হয় এবং বিকেল পর্যন্ত বিভিন্ন সড়কে অবৈধভাবে পার্কিং করে রাখা হয়, যা স্পষ্টতই আইন লঙ্ঘন।”
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, এই পুরো অনিয়ম ও অবৈধ কার্যক্রমের নেপথ্যে উপরে উল্লেখিত ট্রাফিক কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগই সবচেয়ে বেশি উঠে এসেছে।এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য ও ভিডিও প্রতিবেদনসহ পরবর্তী প্রতিবেদন দেখতে চোখ রাখুন পর্ব -২ এ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© All rights reserved © dailyamarsomoy.com