নোয়াখালী ৯ উপজেলার মধ্যে ৬ উপজেলার সাব- রেজিস্ট্রার অফিস যেমন: বেগমগঞ্জ,চাটখিল,কবিরহাট,সুবর্ণচর, সোনাইমুড়ী, কোম্পানীগঞ্জের সাব-রেজিস্ট্রার অফিসগুলো নানান সমস্যায় জর্জরিত বহু বছর ধরে স্থান পরিদর্শনে এমনসব তথ্য পাওয়া গেছে ! একদিকে (১) মান্ধাতার আমলের ভাঙা ও জরাজীর্ণ ভবনে মৃত্যুর ঝুঁকির অবস্থা, (২) বালামগুলো উইপোকা, তেলাপোকা ও ছারপোকা ধরে ছিঁড়া হওয়ায় শব্দগুলো চোখে না দেখা এবং (৩) জনবল ঘাটতি মতো চরম সমস্যায় ভূমি সেবা দিতে বর্তমান কর্মকর্তা- কর্মচারীরা ক্লান্ত শরীরে মনে উদ্বিগ্নতার সঞ্চার হচ্ছে নিয়মিত । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উল্লেখিত সাব- রেজিস্ট্রার অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারী সূত্রে, দেশের উন্নয়নে বড় অংকের অর্থের যোগানদাতা নোয়াখালীর সাবরেজিস্ট্রার অফিসগুলো। অথচ দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এজেলায় মৃত্যুর ঝুঁকির আশঙ্কার আতঙ্ক নিয়ে ভূমি সেবা দিতে হচ্ছে। সূত্র মতে, সদর উপজেলায় পুরাতন রেকর্ড রুমের ভেতরে সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, বালামের তাকগুলো ভাঙ্গা ও বালামের টুকরো ছিঁড়া হওয়ায় রেকর্ড সংরক্ষণ প্রকল্প হাতে জরুরি। অন্যদিকে সুবর্ণচর উপজেলা সাব- রেজিস্ট্রার অফিসের জন্য কোন ভবন নির্মাণ হয়নি বলে ভাড়া পক্ষে সীমিত পরিসরে দলিল রেজিস্ট্রারসহ সকল ধরনের ভূমি সেবার কাজ করতে হচ্ছে ! এদিকে অত্র অফিসগুলোর কর্মকর্তা এবং ভূমি রেজিস্ট্রার, রেকর্ড সংরক্ষণ ও সংশোধন বিশ্লেষকগণ মনে করেন যে, দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় রেজিস্ট্রেশন অফিস ভবন নির্মাণ/সম্প্রসারণ প্রকল্পটি ১ম ও ২য় ধাপ শেষ। তাঁরা সাব- রেজিস্ট্রার অফিসের আধুনিকীকরণ কার্যক্রমের ৩য় প্রকল্পের আওতায় নোয়াখালীর উল্লেখিত উপজেলা সার- রেজিস্ট্রার অফিসের নতুন ভবন নির্মাণ এবং পুরাতন রেকর্ড রুমের জন্য নতুন ভবন নির্মাণ সহ রেকর্ড সংরক্ষণ প্রকল্প হাতে নেওয়া অতীব জরুরি মনে করছে। ৬ সাব- রেজিস্ট্রার অফিস ও রেকর্ড ভবন প্রয়োজনসহ তিন সমস্যার সমাধান কল্পে ভূমি সেবা প্রার্থী, আমিন ও আরিফসহ অনেকে এবং দলিল লিখক ও তল্লাশকারক সমিতির পক্ষ থেকে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধন অধিদপ্তর ও পগণপূর্ত অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট অনুরোধ করেন।
Leave a Reply