সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুর ২ টায় সাতজন বাদিসহ রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা নিজেই অভিযোগ করেন। দণ্ডিবিধির ৩২৩ / ৩২৫ / ৩২৬ / ৩০৭ / ২০৬ / ১০৯ / ৩৪ ধারায় মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করেন শেরেবাংলা নগর থানার পুলিশ।
২০১১ সালের সেদিনের ঘটনায় জড়িত ছিলেন তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) বর্তমানে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদ ও তৎকালীন সহকারী কমিশনার (এসি) ও বর্তমানে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার। এদের পাশাপাশি আরো প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন অজ্ঞাত পুলিশ সদস্য কেও আসামি করা হয়।
এসময় বিএনপি ও এঅঙ্গ সংগঠনের অনেক নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
থানা থেকে বের হয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে জয়নুল আবেদিন ফারুক বলেন, দেশনেত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দলের পক্ষ থেকে ২০১১ সালের দুই দিনের জন্য হরতাল কর্মসূচির ডাক দিয়েছিলেন। হরতাল চালাকালিন সময়ে আমার সহযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে থেকে মিছিল নিয়ে ফার্মগেটের উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছিলাম। তখন পুলিশ কর্মকর্তা হারুন বিপ্লব সহ তার অধীনস্থ সকল কর্মকর্তা মিলে মিছিলে বাধা দেয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হারুন ও বিপ্লব তাদের ফোর্স নিয়ে আমার উপর হামলা করে। এ সময় আমার মাথা ফেটে যায় ও নির্যাতনের একপর্যায়ে আমার জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। লাঠি আঘাতে আমার লিগামেন্ট ছিড়ে যায়। এবং বাম পাশের কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অচল হয়ে যায়। এই ঘটনায় বিএনপির সংসদ সদস্য আশরাফ উদ্দিন নিজাম নির্দেশ প্রাপ্ত হয়ে তখন এই থানায় মামলা করতে এসেছিলেন। তখনকার পুলিশ কর্মকর্তা ভিতরে ঢুকতে দেয় নি। পরবর্তীতে আমরা কোর্টে মামলা করলে তার তদন্ত হয়ে তিন দিনের মধ্যে বাতিল করে দেয়। এবং তখন পুলিশ বাদি হয়ে আমার বিরুদ্ধে একটা মামলা দেয় সেই মামলায় আজও পর্যন্ত হাজিরা দিতে যাচ্ছি।
আজকে সুযোগ হয়েছে ছাত্রজনতার রক্তের বিনিময়ে দেশ আজ গণতন্ত্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমি আশা করি ছাত্র জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে যে অন্তর্বর্তনকালীন সরকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে এই সময়ে আমার উপর ঘটে যাওয়া হত্যা চেষ্টার ঘটনায় সুবিচার পাব।
Leave a Reply