1. admin@gmail.com : দৈনিক আমার সময় : দৈনিক আমার সময়
  2. admin@dailyamarsomoy.com : admin :
হরিরামপুরে চেতনা নাশক পান করিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ: প্রধান আসামি ধরা ছোঁয়ার বাইরে - দৈনিক আমার সময়

হরিরামপুরে চেতনা নাশক পান করিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ: প্রধান আসামি ধরা ছোঁয়ার বাইরে

সোহেল রানা 
    প্রকাশিত : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের বলড়া ইউনিয়নে কোমল পানীয়র (স্পীড কোল্ড ড্রিংসের) সাথে চেতনা নাশক পান করিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগের মামলায় প্রধান আসামি জিহাদ (২০) এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। গত (১ জুলাই) বুধবার হরিরামপুর থানায় ধর্ষণ মামলা হলে ৩ নং আসামী মিনু আরা ওরফে আশা নামের এক গৃহবধূকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে মামলা রুজুর এক সপ্তাহ পার হলেও এখনো প্রধান আসামি জিহাদ (২০) কে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

এর আগে গত ২৫ শে জুন রাত সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলার বলড়া ইউনিয়নের বলড়া গ্রামে এক কিশোরীকে (১৫) ধর্ষনের অভিযোগ উঠে প্রতিবেশী জিহাদের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে জিহাদ পলাতক রয়েছে।

এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা ১ জুলাই বুধবার হরিরামপুর থানায় জিহাদসহ ৪ জনের নামে মামলা করেন।

মামলার নথিপত্র থেকে জানা যায়, বিবাহ উপলক্ষ্যে পাশের বাড়ি গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানে দাওয়াত খেতে যায় ওই কিশোরী। প্রতিবেশি জিহাদ, সোহাগ ও গৃহবধূ আশাও অনুষ্ঠানে যান। অনুষ্ঠানে মামলার ১ নং আসামী জিহাদ, ৩নং আসামী আশার সহায়তায় বাদীর মেয়েকে জোরপূর্বকভাবে কোমল পানীয় স্পিডের সাথে চেতনাশক জাতীয় ঔষধ মিশিয়ে অজ্ঞান করে এবং আশার ঘড়ের একটি কক্ষে ধর্ষণ করে।

পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে কিশোরীর বাবা হরিরামপুর থানায় মামলা করেন।

হরিরামপুর থানা ওসি মুহাম্মদ আফজাল হোসেন বলেন, মামলায় ধর্ষণের সহযোগী আশা নামের গৃহবধূকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ধর্ষণ মামলার মূল আসামী জিহাদসহ আসামীদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

 

বাদী মোঃ আব্দুল হক (৬৫), পিতা- মৃত সুলতান বেপারী, সাং- বলড়া, থানা- হরিরামপুর, জেলা-মানিকগঞ্জ, থানায় হাজির হইয়া বিবাদী ১। মোঃ জিহাদ (১৯), পিতা- মোঃ পান্নু বেপারী, সাং- বলড়া, ২। মোঃ সোহাগ (১৬), পিতা- মোঃ ইব্রাহিম বেপারী, সাং- বলড়া, ৩। মোছাঃ মিনুআরা নার্গিস ওরফে আশা (২০), স্বামী- মোঃ রাজেদুল ইসলাম,সাং- বলড়া, ৪। মোঃ আফজাল বেপারী (৩০), পিতা- মৃত আফসার বেপারী, সাং- বলড়া, সর্ব থানা- হরিরামপুর, জেলা-মানিকগঞ্জদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন যে, বাদীর অবিবাহিত নাবালিকা মেয়ে মোছাঃ জুই আক্তার (১৫) গত ২৫/০৬/২০২৬ তারিখ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা অনুমান ০৭.১৫ ঘটিকায় তার প্রতিবেশী জনৈক ফজল বেপারীর নাতিন জুথি এর বিবাহ উপলক্ষ্যে গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানে দাওয়াত খেতে যায়। উক্ত গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানে তাহার মেয়ে শাড়ি পরে যায়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রতিবেশী ১ থেকে ৩নং বিবাদীগনও দাওয়াত খেতে যায়। ১নং বিবাদী ৩নং বিবাদীর সহায়তায় বাদীর মেয়েকে জোরপূর্বকভাবে কোমল পানীয় স্পিডের সাথে চেতনাশক জাতীয় ঔষধ মিশিয়ে অজ্ঞান করে গত ইং ২৫/০৬/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ১১.০৫ ঘটিকার পর হইতে রাত অনুমান ১১.৫৫ ঘটিকার মধ্যে যেকোন সময় ৩নং বিবাদীর ঘরের ভিতরে ধর্ষন করে। ২নং বিবাদী বাদীর মেয়েকে ধর্ষনের চেষ্টা করে। ৪নং বিবাদী বিচারের আশ্বাস দিয়া বিচার না করিয়া দামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে।

এই সংক্রান্তে হরিরামপুর থানার মামলা নং- ০১/ তাং- ০১/০৭/২০২৬খ্রিঃ, ধারা- ৯(১)/৯(৪)(খ)/৩০ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন,২০২৬ ; তৎসহ ৩২৮ পেনাল কোড, ১৮৬০; রুজু করা হয়েছে।

 

মামলার এজাহার নামীয় ৩ নং আসামিকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অভ্যতা আছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© All rights reserved © dailyamarsomoy.com