সি-ট্রাক ও সি-অ্যাম্বুলেন্সের দাবি সেন্টমার্টিনবাসীর
কক্সবাজারের সর্ব দক্ষিণের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন। দ্বীপের স্থানীয় বাসিন্দারা চলমান ভারী বর্ষণে প্রায় এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে টেকনাফে আটকা পড়ে থাকার পর- অবশেষে সেন্টমার্টিন দ্বীপের বাসিন্দাদের একটি দল গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। বৈরী আবহাওয়া ও নৌযান চলাচল বন্ধ থাকায় তারা দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্ভোগে ছিলেন।
জানা গেছে, যাত্রা শুরুর সময় সেন্টমার্টিন এলাকায় ভারী বৃষ্টি হলেও বাতাস তুলনামূলকভাবে কম ছিল এবং সমুদ্রও শান্ত রয়েছে বলে জানা যায়। তবে দ্বীপবাসীদের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিকূল আবহাওয়ার ঝুঁকি নিয়েই তাদের নদী ও সমুদ্রপথে প্রায় ৩৬ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হচ্ছে।
সেন্টমার্টিনের স্থানীয়রা জানান, নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজ, পরিবার-পরিজনের কাছে ফেরা এবং জরুরি প্রয়োজনে বাধ্য হয়েই তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই যাত্রা করছেন। নিরাপদ ও নিয়মিত যোগাযোগব্যবস্থা না থাকায় প্রায়ই এমন দুর্ভোগের মুখোমুখি হতে হয় দ্বীপবাসীদের।
দ্বীপের বাসিন্দারা আল্লাহর কাছে নিরাপদ যাত্রার জন্য দোয়া কামনা করে সরকারের প্রতি দ্রুত টেকনাফ–সেন্টমার্টিন নৌরুটে একটি সি-ট্রাক এবং একটি সি-অ্যাম্বুলেন্স বরাদ্দ দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, এসব সেবা চালু হলে দুর্যোগকালীন সময়ে যাত্রী ও জরুরি রোগী পরিবহন অনেক বেশি নিরাপদ ও কার্যকর হবে।
স্থানীয়দের আশা, দ্বীপবাসীর দীর্ঘদিনের এই যৌক্তিক দাবি দ্রুত বাস্তবায়িত হলে সেন্টমার্টিনের মানুষের দুর্ভোগ অনেকাংশে লাঘব হবে।
Leave a Reply