দেশের প্রথম শ্রেণীর পৌরসভাগুলোর মধ্যে নোয়াখালী চৌমুহনী পৌরসভা একটি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, অত্র পৌরসভায় আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনার ছোঁয়া পৌরবাসীর কপালে এখনো জোটে নি! চৌমুহনী পশ্চিম বাজারে প্রধান সড়কে দক্ষিণ পাশের মের্সাস আলী হার্ডওয়্যার, সেতারা ইলেকট্রিক, ওয়ান ব্যাংক পিএলসি, প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি সূত্রে, আল- জাহীদ এয়ার ট্রাভেলস, সানমুন হার্ডওয়্যার ষ্টোর,নোয়াখালী থাই এ্যালুমিনিয়াম, এন. আর ইলেকট্রনিক, মের্সাস নূর ট্রেডার্স এবং কোহিনুর টাইলস এণ্ড স্যানেটারীসহ বিভিন্ন পণ্য- দ্রব্যের অনেক ব্যবসায়ীরা দৈনিক আমার সময়ে জানান, সামান্য ভারী বৃষ্টিতেই চৌমুহনী পশ্চিম বাজার প্রধান সড়কের পশ্চিম পাশের ড্রেণ পানিতে পূর্ণ হয়ে রাস্তাঘাট ডুবে পঁচা দূর্গন্ধে ব্যবসায় করার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে বহু বছর ধরে ! পশ্চিম বাজারে সওজ বিভাগের কোন কোন রাস্তা নিচু হওয়াতে দোকানপাটে পানি ঢুকে পড়ে। পৌরসভার নির্মিত ড্রেনের কোন সংযোগ নেই। এতে সাধারণ ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের স্বাভাবিক বেচাকেনায় চরম অচলাবস্থা ও আর্থিক ক্ষতি সৃষ্টি হয় সামান্য বৃষ্টিতেই নোয়াখালীতে জলাবদ্ধতা, স্থায়ী সমাধান চান স্থানীয়রা। এবিষয়ে বিশ্লেষকগণ বলেন, চৌমুহনী পৌরসভা এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের সমন্বয়হীনতা একমাত্র দায়ী। চৌমুহনী পশ্চিম বাজার জলাবদ্ধতা ও দূর্গন্ধ নিরসনে চৌমুহনী পৌরসভা ও সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের অনুরোধ করেন দোকানের মালিক পক্ষ ও ব্যবসায়ীরা।
Leave a Reply