গাজীপুরের শ্রীপুরে নিখোঁজের দুই দিন পর নদীতে ভাসমান অবস্থায় নাঈম মিয়া নামে এক কাঁচামাল ব্যবসায়ীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালের দিকে উপজেলার বরমী ইউনিয়নের বরকুল গ্রামের মহিলা মাদরাসার পেছন (শেখেরঘাট) এলাকার মাটিকাটা নদী থেকে ওই ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত নাঈম মিয়া (৩৫) উপজেলার বরমী ইউনিয়নের বড়নল গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে। তিনি প্রতি বুধবার বরমী বাজারে কাঁচামাল বিক্রি করতেন। একই সাথে বাড়ির পাশে একটি পুকুর লিজ নিয়ে মাছ চাষাবাদ করতেন।
থানার জিডি ও নিহত নাঈমের বাবা জামাল মিয়ার দেওয়া তথ্যমতে, গত মঙ্গলবার (২ জুন) রাত ১০টার দিকে নিজ বাড়িতে খাবার খেয়ে সাড়ে এগারোটার দিকে নাঈম তার মাছের প্রজেক্ট দেখার জন্য টর্চলাইট নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। পরে সে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফিরে আসেনি। এরপর তার মোবাইলে কল দিলেও ফোন কেটে দেওয়া হয়েছিল। কয়েকবার ফোন দিলেও কিছু সময় পরেই তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। সকাল হলেও বাড়িতে না আসায় সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুজি করে তার সন্ধান না পাওয়ায় শ্রীপুর থানায় জিডি করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার সকালের দিকে বরকুল গ্রামের মহিলা মাদরাসার পেছন (শেখেরঘাট) এলাকার মাটিকাটা নদীতে একজনের লাশ পাওয়া গেছে এমন খবরে আসে। সেখানে স্বজনরা গিয়ে দেখে হাত-পা বাঁধা মরদেহ পড়ে আছে। কাছে গিয়ে নাঈমের লাশ সনাক্ত করে স্বজনরা। পরে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নাঈমের মরদেহ উদ্ধার করে।
নাঈমের বাবা এ ঘটনার বিচার দাবি করে বলেন,’ আমার ছেলেকে যারা হত্যা করেছে আমি ওদের ফাঁসি চাই।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন,’ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরের শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতের স্বজনদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ ঘটনায় মামলা হবে। জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। ‘
Leave a Reply