1. admin@gmail.com : দৈনিক আমার সময় : দৈনিক আমার সময়
  2. admin@dailyamarsomoy.com : admin :
খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্পে পুনর্বাসনের ৪,৪০৯ জনের তালিকা বাতিল - দৈনিক আমার সময়

খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্পে পুনর্বাসনের ৪,৪০৯ জনের তালিকা বাতিল

দিদারুল আলম সিকদার,কক্সবাজার প্রতিনিধি
    প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫
কক্সবাজারে জলবায়ু উদ্বাস্তু পুনর্বাসন প্রকল্পে (খুরুশকুল) পুনর্বাসনের ৪ হাজার ৪০৯ জনের তালিকা বাতিল করা হয়েছে।

খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্পে পুনর্বাসনের ৪,৪০৯ জনের তালিকা বাতিল
দিদারুল আলম সিকদার,
কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি:
১৫ জুলাই ২০২৫
কক্সবাজারে জলবায়ু উদ্বাস্তু পুনর্বাসন প্রকল্পে (খুরুশকুল) পুনর্বাসনের ৪ হাজার ৪০৯ জনের তালিকা বাতিল করা হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ মহিবুল হাসান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে গতকাল জানানো হয়, কক্সবাজারে জলবায়ু উদ্বাস্তু পুনর্বাসন প্রকল্পে (খুরুশকুল) নির্মিত বহুতল ভবনের উপকারভোগী বাছাই, সরকারি ফ্ল্যাট হস্তান্তর ও রক্ষাণাবেক্ষণ নীতিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী এ প্রকল্পে পুনর্বাসনের জন্য ২০১১ সালে প্রণীত ৪ হাজার ৪০৯ জনের তালিকা ত্রুটিপূর্ণ, প্রশ্নবিদ্ধ ও পক্ষপাতদুষ্ট হওয়ায় বাতিল করা হয়েছে।

জানা যায়, ২০১৭ সালের কক্সবাজার শহরের কাছে খুরুশকুল এলাকায় এই বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়।  সে সময়ের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই প্রকল্পের কাজ উদ্বোধন করেন। ২৫৩ একর জমিতে পুনর্বাসন, বাফার, শুঁটকি মহল এবং পর্যটন-এই চারটি জোন মিলিয়ে হচ্ছে এই প্রকল্প। এরমধ্যে পুনর্বাসন জোনে ১১২ একর জমিতে ১২৯টি পাঁচতলা ভবন তৈরি হচ্ছে। প্রতিটি পাঁচতলা ভবনে রয়েছে ৪৫৬ বর্গফুট আয়তনের ৩২টি করে ফ্ল্যাট।
সে সময় বলা হয়েছিল, সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ১৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পের পুরো কাজ শেষ হলে এসব ভবনে বসবাসের সুযোগ পাবে ৪ হাজার ৪০৯টি জলবায়ু উদ্বাস্তু পরিবার, যারা কক্সবাজার বিমানবন্দরের পালে ফদনার ডেইল, কুতুবদিয়া পাড়া ও সমিতি পাড়ায় মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন বহু বছর ধরে।
১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের পর বাস্তুহারা মানুষ বিভিন্ন জায়গা থেকে এসে কক্সবাজার বিমানবন্দরের পাশে এসব এলাকায় সরকারি খাস জমিতে আশ্রয় নেয়। পরে বিভিন্ন সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত আরও অনেক পরিবার যোগ দেয় তাদের সঙ্গে।
১৯৯৭ সালের ১৯ মের ঘূর্ণিঝড়ের পর তখনকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওইসব এলাকা পরিদর্শন করে গৃহহীন ও ছিন্নমূল মানুষের পুনর্বাসনের তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন।
সেই প্রেক্ষাপটে ১৯৯৭ সালে ‘আশ্রয়ণ’ নামে প্রথম প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। ওই প্রকল্পের মাধ্যমে ভূমিহীন, গৃহহীন, ছিন্নমূল ৩ লাখ ১৯ হাজার ১৪০টি পরিবার ঘর পায়।
শেখ হাসিনার নির্দেশে ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের আবাসনের জন্য খুরুশকুলে নতুন এই বিশেষ আশ্রয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। ভূমি উন্নয়নের কাজ শেষে শুরু হয় ভবন নির্মাণ।
প্রকল্পের ১২৯টি আবাসিক ভবনের মধ্যে ১২২টির নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।  সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের মাধ্যমে করা প্রথম পর্যায়ের ২০টি ভবনের মধ্যে ১৯টির কাজ শেষে ২০২০ সালের ২৩ জুলাই ৬০০ পরিবারকে ১০০১ টাকার নামমাত্র মূল্যে ফ্ল্যাটের চাবি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© All rights reserved © dailyamarsomoy.com