রাজউক কর্মকর্তাদের এসব ঘুষ বাণিজ্য আর দুর্নিতীর কারনে ভবন নির্মাতাদের অনিয়ম তদন্তে” আমার সময়ের” এক তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসে বেশ কিছু প্রমানসহ তথ্য।
শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া ও কাফরুল অঞ্চলে রাজউকের ভবন নির্মানের নিতীমালা মানা হয়নি অধিকাংশ মালিকানা বা ডেভেলপার কোম্পানির নির্মিত বা নির্মাণাধীন ভবনে, তার মধ্যে ডেভিয়েশন, রাস্তার প্রশস্ততা, ভবনের ইনডোর আউটডোরের অবকাঠামোর ব্যাতিক্রম করা হয়েছে বিভিন্ন ভবনে, আবার ৬ তলার অনুমোদন নিয়ে ৯ তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মান, রাজউকের প্ল্যান অমান্য করে নীচতলায় আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মান সহ বিভিন্ন অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়।
এমনকি কেউ কেউ আবার রাজউকের কোনো অনুমোদন ছাড়াই নির্মান করেছেন বহুতল ভবন।
এসব বিষয় নিয়ে রাজউক জোন ৩/১এর তৎকালিন পরিদর্শক সোহাগ বলেন আমি তখন কর্মরত ছিলাম ঠিকই কিন্তু উল্লেখিত বিষয়গুলি সমাধনের আগেই আমি অন্যত্র বদলি হয়ে যাই, তা ছাড়া আমাদের আসলে এসব বিষয়ে গণমাধ্যম কর্মিদের কাছে বক্তব্য দেওয়া নিষেধ আছে।
কোন কারনে এমন নিষেধাজ্ঞা এমন প্রশ্নের জবাবে সোহাগ বলেন এ বিষয়ে আমাদের অথোরাইজড বা আরো উপরস্থ কর্মকর্তারা বলতে পারবেন। ( উল্লেখ থাকে যে, সোহাগ হেড অফিসে বদলি হয়ে গেলেও ৩ মাস পার না হতেই মোটা অঙ্কের টাকা ঘুষের বিনিময় আবার মহাখালীতেই ফিরেন তিনি)
বর্তমান রাজউক জোন -৩/ ১ এর অথোরাইজড অফিসার শেখ মাহাব্বির রনি এবং ওই এলাকার পরিদর্শক নাঈমুল ইসলামের বক্তব্য নিতে অফিসে গেলে তাদের কাউকেই পাওয়া যায়নি এমনকি হোয়াটস এ্যাপের ক্ষুদে বার্তায় জবাব চাইলেও কোনো জবাব দেননি তারা।
এমন ভাবেই চলছে একে অন্যের প্রতি দায় চাপিয়ে নিজেকে বাচিঁয়ে নেওয়ার অপকৌশল।
Leave a Reply