1. admin@gmail.com : দৈনিক আমার সময় : দৈনিক আমার সময়
  2. admin@dailyamarsomoy.com : admin :
প্রবেশদ্বারেই ‘নতুন কক্সবাজার’–এর বার্তা ফুটিয়ে তুলতে শিল্পভিত্তিক ভাস্কর্যের আহ্বান - দৈনিক আমার সময়

প্রবেশদ্বারেই ‘নতুন কক্সবাজার’–এর বার্তা ফুটিয়ে তুলতে শিল্পভিত্তিক ভাস্কর্যের আহ্বান

দিদারুল আলম সিকদার,  কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি
    প্রকাশিত : রবিবার, ৬ জুলাই, ২০২৫
কক্সবাজার কমিউনিটি অ্যালায়েন্সের মানববন্ধনে বক্তারা,
কক্সবাজারের প্রবেশদ্বারে সময়োপযোগী, পরিবেশবান্ধব ও ভাবনাপ্রবণ ভাস্কর্য স্থাপনের আহ্বানে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে দেশ-বিদেশের কক্সবাজারপ্রেমী নাগরিকদের সমন্বয়ে গঠিত সংগঠন কক্সবাজার কমিউনিটি অ্যালায়েন্স।
শনিবার বিকাল ৪টায় কক্সবাজারের অন্যতম প্রতীকী ও ব্যস্ততম মোড়—কলাতলী মোড়ে (বর্তমান ‘ডলফিন মোড়’) অনুষ্ঠিত হয় এ কর্মসূচি।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘কলাতলী মোড় কেবল একটি জংশন নয়; এটি কক্সবাজার শহরের মুখচ্ছবি। এখানেই গড়ে উঠুক এমন একটি শিল্পকর্ম, যা হবে কক্সবাজারের প্রাণ, পরিবেশ ও ঐতিহ্যের প্রতিচ্ছবি। যা বিশ্বের সামনে তুলে ধরবে বাংলাদেশের পরিবেশ সচেতনতা ও সাংস্কৃতিক পরিচয়।’
সংগঠনের পক্ষ থেকে তথ্যপ্রযুক্তিবিদ মোহিব্বুল মোক্তাদীর তানিম বলেন, ‘চারটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের মিলনস্থলে ‘কলাতলী মোড়’ নামটি অক্ষুণ্ণ রেখে নির্মিত হোক জলবায়ু ইতিহাসভিত্তিক আধুনিক ভাস্কর্য। এটি শুধু শহরের নয়, বরং দেশের পক্ষ থেকে বিশ্বকে জানাবে জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষার দায়বদ্ধতার বার্তা।’
উল্লেখ্য, ২০১০ সালে জেলা প্রশাসন ও ঢাকা ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় এই মোড়ে নির্মিত হয়েছিল একটি হাঙরের ভাস্কর্য ও ফোয়ারা। এটি কক্সবাজারের সামুদ্রিক ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হলেও, পরিচিতি পেয়েছে ‘ডলফিন মোড়’ নামে—জনসচেতনতার অভাবেই এই ভুল নামকরণ।
সম্প্রতি জানা যায়, একটি বেসরকারি উদ্যোগে ভাস্কর্যটি পুনর্নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। কক্সবাজার কমিউনিটি অ্যালায়েন্স এই সদিচ্ছাকে স্বাগত জানালেও মনে করে—এই প্রতীকী স্থানটিতে সরকারের তত্ত্বাবধানে শিল্পসম্মত ও বৈশ্বিক বার্তাবাহী ভাস্কর্য প্রতিষ্ঠা সময়ের দাবি। বক্তারা কাউকে ভাস্কর্য বর্গা না দেওয়ার আহবান জানান।
বক্তারা উদাহরণ দেন বিশ্বের বিভিন্ন শহরে নির্মিত জলবায়ুবিষয়ক ভাস্কর্যের যাতে কক্সবাজারেও গড়ে উঠুক  শক্তিশালী, অন্তর্দৃষ্টি-উদ্রেককারী শিল্পকর্ম—যা পরিবেশ রক্ষায় মানুষকে ভাবাবে, উদ্বুদ্ধ করবে এবং বিশ্বমঞ্চে কক্সবাজারকে উপস্থাপন করবে নতুন আলোয়।
এই উদ্যোগে দেশের প্রথিতযশা ভাস্কর, স্থপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ সৃজনশীলদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়, যেন এটি হয়ে ওঠে এক যৌথ ও ভবিষ্যতগামী সৃজনশীল প্রচেষ্টা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন— তথ্যপ্রযুক্তিবিদ মোহিব্বুল মোক্তাদীর তানিম, রাজনৈতিক কর্মি এম সুজা উদ্দিন, উদ্যোক্তা ব্যবসায়ী শেখ আতিকুজ্জামান,  মানবাধিকার কর্মী তাজওয়ার কাশেম। এসময় কক্সবাজার কমিউনিটি আলায়েন্স এর প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মানবন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন— প্রবেশদ্বারেই অঙ্কিত হোক নতুন কক্সবাজার—যেখানে শিল্প হয়ে উঠবে সাগরের ভাষা, পরিবেশের প্রহরী, এবং আগামী প্রজন্মের জন্য চেতনার স্থায়ী অনুরণন

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© All rights reserved © dailyamarsomoy.com