1. admin@gmail.com : দৈনিক আমার সময় : দৈনিক আমার সময়
  2. admin@dailyamarsomoy.com : admin :
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ^কাপ আয়োজন ছাড়াই বিসিবির আয় ১০ কোটি টাকা - দৈনিক আমার সময়

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ^কাপ আয়োজন ছাড়াই বিসিবির আয় ১০ কোটি টাকা

অনলাইন ডেস্ক
    প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২২ জুলাই, ২০২৫

নারী ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক আসর ২০২৪ সালের আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ^কাপ আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছিল বাংলাদেশ। বিসিবির পরিকল্পনা ছিল ঘরের মাঠে সফল আয়োজনের পাশাপাশি টিকিট, সম্প্রচারস্বত্বসহ বিভিন্ন খাত থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রাজস্ব অর্জন। কিন্তু রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির কারণে বাংলাদেশ থেকে সরে গিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হয় টুর্নামেন্টটি। যদিও আয়োজক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সেই স্বত্ব বজায় রাখে এবং আয় থেকেও বঞ্চিত হয়নি। বরং আয় হয়েছে ১০ কোটি টাকারও বেশি।
বিশ^কাপটি অনুষ্ঠিত হয় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম এবং শারজা ক্রিকেট গ্রাউন্ডে, ২০২৪ সালের ৩ থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত। আগে নির্ধারিত ছিল ঢাকা ও সিলেটের দুই ভেন্যুতে খেলা হবে। ভেন্যু বদলালেও বিসিবি আয় হারায়নি। মূলত ‘ইভেন্ট হোস্ট ফি’ বাবদ বাংলাদেশ পেয়েছে মোটা অঙ্কের অর্থ, যেটি নির্ধারিত হয়েছে স্বাগতিক দেশ হিসেবে চুক্তির আওতায়।
আইসিসির হিসাব অনুযায়ী, বিসিবিকে দেওয়া হয়েছে ৮ কোটি ৬ লাখ ৯৫ হাজার ৫০০ টাকা ইভেন্ট হোস্ট ফি হিসেবে। এ ছাড়া টিকিট বিক্রির আয় থেকেও উল্লেখযোগ্য অর্থ পেয়েছে বিসিবি। ইভেন্টটি আমিরাতে স্থানান্তর হলেও ইমিরেটস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) ও বিসিবির মধ্যকার সমঝোতার মাধ্যমে টিকিট বিক্রির আয়ের ৫৫ শতাংশ বাংলাদেশ পেয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের মুদ্রায় ৬ লাখ ৫৯৫.১৮ দিরহাম টিকিট বিক্রি হয়েছে, যার মধ্যে বিসিবির অংশ ৩ লাখ ৩০ হাজার ৩২৭.৩৫ দিরহাম – অর্থাৎ ৭৩ হাজার ৬৪২ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ কোটি ৬ লাখ ৯৫ হাজার ৫০০ টাকা।
এছাড়া, টুর্নামেন্টের গ্রæপ পর্ব থেকেই বিদায় নিলেও বাংলাদেশ নারী দল পেয়েছে প্রাইজমানি হিসেবে ৬৭ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে একমাত্র জয়ের জন্য যোগ হয়েছে আরও ৩১ হাজার ১৫৪ মার্কিন ডলার। সব মিলিয়ে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ^কাপ থেকে বিসিবির আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০ কোটি ৩৭ লাখ ১২ হাজার ১৪২ টাকা। বিষয়টি গত ৩০ জুন বিসিবির পরিচালনা পরিষদের সভায় উপস্থাপন করা হয় এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরের অডিট রিপোর্টেও তা উল্লেখ করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© All rights reserved © dailyamarsomoy.com