বুধবার (২৬ নভেম্বর) শ্রীপুর উপজেলা প্রশাসন, প্রাণিসম্পদ দপ্তর এবং ভেটেরিনারী হাসপাতালের যৌথ আয়োজনে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ের মাঠে প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।
৩০টি স্টলে ৩৫ জন খামারী বিভিন্ন প্রাণী, পশু-পাখি ও উদ্ভাবনী যন্ত্রপাতি প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে। রয়েছে দুগ্ধজাত খাবার পণ্য, প্রাণীজ খাবার এবং বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানীর স্টল।
শ্রীপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: মো: আশরাফ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ব্যারিস্টার সজীব আহমেদ। তিনি বলেন, আমরা প্রাণি সম্পদ, মৎস্য সম্পদ এবং কৃষি যা কিছুই করছি সবার উদ্দেশ্যে একটাই তা হলো জাতির জন্য খাদ্য নিরাপত্তা। প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের মূল উদ্দেশ্যে হলো সেবাটাই হচ্ছে আমাদের প্রধান কাজ। সেই সেবাটা প্রাণিসম্পদ অফিসের মাধ্যমে সফল খামারীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া এবং উদ্যেক্তা তৈরি করা। পুরাতান এবং খামারীদের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরি করা। নতুন নতুন প্রযুক্তিগুলো খামারীদের মধ্যে সর্বত্র ছড়িয়ে দেওয়া।
সম্প্রতি শ্রীপুর উপজেলার অনেক খামারীদের গরু চুরির বিষয়ে তিনি বলেন, বিগত সময় থেকে এখন গরু চুরি ঈদানিং আসলেই বেড়েই গেছে। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে পূর্বের মতো অবৈধ পন্থায় অর্থ উপার্জন বন্ধ হয়ে গেছে। যারা অবৈধ পন্থায় অর্থ উপার্জন করতো তারা কিছু করে খেতে না পারায় চুরি এবং ছিঁচকে চুরির দিকে তারাই বেশি ঝুঁকছে, যার ফলে এটা অনেক বেড়ে গেছে। শ্রীপুর থানা পুলিশ ইতোমধ্যে চুরি হওয়া অনেক গরু উদ্ধার করেছেন এবং চোর গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছেন। যে পরিমান উদ্ধার করা উচিত সে পরিমান পারলে আরো ভালো হতো।
শ্রীপুর উপজেলা ভেটেরিনারী সার্জন ডা: মো: গোলাম মোর্শেদের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, শ্রীপুর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান, উপজেলা পোল্ট্রি মালিক সমিতির সভাপতি সাংবাদিক আব্দুল মতিন, খামারী নাসির আহমেদ মৃধা, সোহাগ মিয়া। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমাইয়া সুলতানা বণ্যা, শ্রীপুর উপজেলা সাংবাদিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা রায়হানুল ইসলাম আকন্দ, সাবেক সভাপতি আনিছুর রহমান শামীম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হকসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
অন্যান্য বক্তারা প্রাণিসম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ, খামার ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং সরকারি সেবাগুলো মাঠ পর্যায়ে আরও সহজলভ্য করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
Leave a Reply