বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব সালাউদ্দিন, ভূমি ও স্টেট ২ এর পরিচালক শেখ শাহিনুল ইসলাম, উপপরিচালক হাফিজুর রহমান এদের আশ্রয় প্রশ্রয়ে দীর্ঘ ১৭ বছর যাবত অনিয়ম দুর্নীতি করে রাজউকের স্টেট ৩ পূর্বাচলের উপপরিচালক আসমা বহাল তবিয়তে রয়েছেন। রাজউকের এই কর্মকর্তা ভয়াবহ অনিয়ম দুর্নীতি করে অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন। জাল-জালিয়াতি থেকে শুরু করে এমন কোনো অপকর্ম নেই যে তিনি করেন নি। সূত্রে জানা যায়, তার ঢাকায় একাধিক বাড়ি, প্লট ফ্ল্যাট রয়েছে। পূর্বাচল এর প্লট ফ্ল্যাট অবৈধ পন্থায় স্বজন প্রীতির মাধ্যমে আত্মীয়-স্বজনদের পাইয়ে দেয়। উপ পরিচালক আসমা নামে বে নামে আত্মীয়-স্বজনদের প্লট ফ্ল্যাট, গাড়ি-বাড়ি, ব্যাংক একাউন্ট এবং তার নিজ এলাকায় কয়েক একর জমি ও আলিশান বাড়ি করেছেন। এই উপপরিচালক যে গাড়ি ব্যবহার করেন তার কাগজপত্র নিজ নামে না করে এক আত্মীয়ের নামে করেছেন।
উপ-পরিচালক আসমার এক বিশ্বস্ত সহকারী মাইনুল এর মাধ্যমে গ্রাহকদের ফাইল আটকে রেখে লক্ষ লক্ষ টাকা আদায় করান।
উপ-পরিচালক আসমা শুধু ধন-সম্পদ ও অর্থলোভী নয়। তিনি পুরুষ লোভী কর্মকর্তা হিসেবে বহাল তবিয়তে রয়েছেন।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, রাজউকের উত্তরা জোন ১ এর পরিচালক হাফিজুর রহমানের সাথে দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে তার অবৈধ সম্পর্ক। প্রায়ই উপ-পরিচালক আসমা তার নিজ অফিস কক্ষে প্রেমিক হাফিজুর রহমানকে নিয়ে দরজা লাগিয়ে দুপুরে খাবার খান এবং শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন।
অনুসন্ধানে ২-৩ দিন এ প্রতিবেদক তার অফিসে গিয়ে অফিসের দরজা বন্ধ পান এবং পিয়ন বলেন ম্যাডাম ভিতরে ব্যস্ত আছেন এখন যাওয়া যাবে না। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ এর ৮(১) ধারা অনুযায়ী প্রতিবেদক তাকে ফোন দিয়ে উক্ত বিষয়ে তথ্য জানতে চাইলে তিনি কোনো তথ্য দিবেন না বলে জানান।
এ ব্যাপারে উপ-পরিচালক আসমা এর প্রতিবেদককে জানান তিনি কোন নিয়মের সাথে জড়িত না। তিনি তার নৈতিক চরিত্রের কথা অস্বীকার করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাজউকের এক কর্মকর্তা জানান, আসমা উপ পরিচালক হওয়ার পর ফ্যাসিস্ট সরকারের কতিপয় নেতাকর্মীর সাথে অনৈতিক সম্পর্ক করে। আর যার কারণে সেসময় তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পান নাই।
আসমা বরিশাল তার নিজ এলাকায় শত কোটি টাকা সম্পদ করেছেন। ফ্যাসিস্ট সরকারের সুবিধাভোগী আসমা নানা অনিয়ম করেও এখনো বহাল তবিয়তে থেকে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।
Leave a Reply