ভাটারা থানার ১৭ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় মোঃফারুক হোসেন।
ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের চারটি থানা ও ১১টি ওয়ার্ডের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।গত ২৪ এ মে (বুধবার) বিকালে রাজধানীর কাওলার আশিয়ান সিটি নর্দান ইউনিভার্সিটি প্রাঙ্গণে উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগ ভাটারা থানার অন্তর্গত ১৭ নং ওয়ার্ড খিলক্ষেত থানার অন্তর্গত ৪৩, ৪৮ দক্ষিণ, ও ৯৬ নং ওয়ার্ড, দক্ষিণখান থানার অন্তর্গত ৪৭, ৪৮ উত্তর, ৪৯ পূর্ব, ও ৫০ নং ওয়ার্ড, উত্তরখান থানার অন্তর্গত ৪৪,৪৫ ও ৪৬ নং ওয়ার্ড সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সম্মেলনে আসা নেতাকর্মীদের মাঝে অনেক আনন্দ ও আগ্রহের জন্ম দিয়েছে।ভাটারা থানার ১৭ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃত্বে কারা আসছেন তা নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে ব্যাপক আলোচনা। ইতিমধ্যে চায়ের কাপে ঝড় উঠেছে। কে হচ্ছেন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক? এই প্রশ্নের উত্তরের ওপর নির্ভর করছে অনেক কিছু। এদিকে সমর্থন পেতে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াতে ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন পদ প্রত্যাশীরা। ফলে সম্মেলনকে কেন্দ্র করে নতুন করে স্বেচ্ছাসেবক লীগের রাজনীতিতে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ভাটারা থানার ১৭ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে কেউ কেউ আলোচনায় থাকলেও আদর্শিক নেতৃত্ব হিসেবে পচ্ছন্দের শীর্ষে রয়েছেন, ভাটারা থানার ১৭ নং ওয়ার্ড বাসীর অহংকার, জামাত-বিএনপির পেট্রোল বোমা ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে রাজপথের প্রতিবাদী সৈনিক, গরীব-দুঃখী-মেহনতি মানুষের অকৃত্রিম বন্ধু, চার দলীয় জোট সরকারের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে রাজপথের লড়াকু সৈনিক, সৎ স্বচ্ছ রাজনীতির প্রতীক, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কন্ঠস্বর, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দেশরত্ন শেখ হাসিনার আনুগত্যের নির্ভিক নেতা সাবেক ১৭নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক ও সাবেক থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রচার সম্পাদক মোঃফারুক হোসেন।
স্কুল জীবন থেকে ছাত্র রাজনীতিতে নিজেকে একজন জনপ্রিয় কর্মী বান্ধব নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি । তিনি ১৭নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক ও থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। মোঃ ফারুক হোসেন ভাটারা থানার ১৭ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের একজন সক্রিয় কর্মী হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। মোঃ ফারুক হোসেন ১৯৯৬ সালে ভাটারা থানার ১৭ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের জোয়ার সাহারা ইউনিটের সহ-সভাপতি ছিলেন ।স্বৈরাচার খালেদা জিয়ার পতনের লক্ষ্যে হরতাল, অবরোধ, ঘেরাও কর্মসূচী, অসহযোগ আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ এবং পরবর্তী সময়ে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রনী ভূমিকা পালন করেছেন। ঐ সময়ে কারা নির্যাতনের শিকার হন সাবেক এ ছাত্রনেতা।
সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন মোঃ ফারুক হোসেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক কর্মকান্ড, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়াঙ্গনে তার মেধা ও মননশীলতা অসহায় মানুষের পাশে থেকে তাদের সাহায্যে একজন জনপ্রিয় নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন বলে মন্তব্য করেছেন এলাকাবাসী। স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভাটারা থানার ১৭ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের রাজনীতিতে সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ ফারুক হোসেন এর কোনো বিকল্প নাই, আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দেবার মতো জনবল, পারিবারিক ঐতিহ্য, সামাজিক পরিচিতি, আর্থিক স্বচ্ছলতা, রাজনৈতিক দূরদর্শীতা, আদর্শিক-পরীক্ষিত নেতৃত্ব, পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ ও গ্রহণ যোগ্যতা ইত্যাদি যেসব গুণের প্রয়োজন তার সবগুলো মোঃ ফারুক হোসেন এর মধ্যে বিদ্যামান রয়েছে।
ফারুক হোসেন বলেন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বির্নিমানে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে কাজ করে যাব। জাতির পিতা স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশে ধর্ম নিরপক্ষতার যে বাণী নিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন- তার লক্ষ্য ছিল এই দেশ হবে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সবার দেশ।
তিনি আরো বলেন ,স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে অবশ্যই শিক্ষিত রাজনৈতিক ব্যাক্তির হাতে নেতৃত্ব তুলে দিতে হবে।বাংলাদেশে এখন নোংরা মানসিকতার রাজনীতির চর্চা চলছে।তাই রাজনীতিতে এখন আর শিক্ষিত নেতৃত্ব গড়ে উঠছে না।আমাদের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সেই দিকে জোর দিতে হবে।
Leave a Reply