আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা কে সামনে রেখে টেকনাফ উপজেলায় কোরবানির পশুর হাট জমে উঠেছে। কিন্তু দাম অত্যন্ত চড়া। সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। টেকনাফ উপজেলার কোরবানীর হাট পরিদর্শন করে ক্রেতাদের সাথে আলাপ করা হলে ক্রেতা সাধারণ জানান, গত ২ বছর ধরে মায়নমার থেকে বণিজ্যের মাধ্যমে শাহ্পরীরদ্বীপের করিডোরে আশা গবাদী পশু আমদানী বন্ধ থাকায় টেকনাফে পশুর দাম অত্যাদিক বেড়ে গেছে। বর্তমানে গরু ব্যবসীগণ বিভিন্ন স্থান থেকে গবাদীপশু সংগ্রহ করে বাজারে নিয়ে আসে তা বিক্রি করার সময় অত্যাদিক মূল্য হাঁকে। ফলে কোরবানীর পশু ক্রয় করতে না পেরে লোকজন ফিরে আসছে। এদিকে মায়নমার থেকে টেকনাফ দিয়ে গবাদী পশু না আসলেও কিন্তু পাশ্ববর্তী উপজেলা উখিয়া, রামু ও নাইক্যাংছড়ি উপজেলার সীমান্ত দিয়ে চোরাই পথে শত শত গবাদী পশু বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। সেখানে গবাদী পশুর দাম কম হলেও টেকনাফে কোরবানী পশুর হাট আগুন। অনেক ক্রেতারা ক্ষোভের সাথে জানান যে টাকা দিয়ে পবিত্র কোরবানী দেওয়ার কথা ছিল তা সম্ভব হচ্ছে না। ইহা অব্যাহত থাকলে টেকনাফে অন্যান্য বছরের তুলনায় তিন ভাগের এক ভাগ কোরবানি দেওয়া সম্ভব হবে কিনা সন্দেহ পোষণ করেছেন ক্রেতা সাধারণেরা। এই ব্যাপারে পবিত্র কোরবানকে সামনে রেখে মিয়ানমার থেকে শুধু মাত্র চট্রগ্রাম দক্ষিণাঞ্চলের জন্য শাহ্ পরীরদ্বীপের করিডোর খোলে দেওয়ার জন্য আহবান জানান স্থানীয় সচেতন মহল ।
Leave a Reply