1. admin@gmail.com : দৈনিক আমার সময় : দৈনিক আমার সময়
  2. admin@dailyamarsomoy.com : admin :
গরমের তীব্রতাই কুষ্টিয়ায় বেড়েছে তালশাঁস বেচাকেনা - দৈনিক আমার সময়

গরমের তীব্রতাই কুষ্টিয়ায় বেড়েছে তালশাঁস বেচাকেনা

এ,জে, সুজন কুষ্টিয়া প্রতিনিধি 
    প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৩ মে, ২০২৩
গরমের তীব্রতায় কুষ্টিয়ার জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। একটু স্বস্তি খুজে নিতে মানুষ ভিড় করছে রাস্তার ধারে ভ্রাম্যমান তাল শাঁসের  দোকানে। জৈষ্ঠ মাসকে বলা হয় মধুমাস, এ মাসে বাজারে আম,লিচু,আনারস,তরমুজসহ  হরেক রকমের ফল দেখা মিলেছে, তার মধ্যে  দেখা মিলেছে তালশাঁসের।

প্রচন্ড তাপদাহে চাহিদার পাশাপাশি তাল শাঁসের কদর বেড়েছে কুষ্টিয়ায়। মঙ্গলবার (২৩ মে) দুপুরের দিকে কুষ্টিয়া শহরের এন এস রোডে সরেজমিনে দেখা যায় বেশ কিছু ভ্রাম্যমান তালশাঁসের দোকান বসেছে। একটু স্বস্তি পেতে রাস্তার পাশে ফুটপাতে বিক্রি হওয়া রসালো এই ফলের স্বাদ নিতে ভীর করছে ক্রেতারা।

কচি তালের শাঁস ও পাকা তাল এই অঞ্চলে খুবই জনপ্রিয়। জেলার বিভিন্ন স্থানে প্রতিদিন ভ্রাম্যমাণ দোকান নিয়ে বসছে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা। তিনটি শাঁসসহ একটি তাল বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকায়। ঘুরে ঘুরে দেখা যায় এ ফল কেউ কিনে নিয়ে দাঁড়িয়ে খাচ্ছেন, কেউবা নিয়ে যাচ্ছেন বাড়িতে। এসব দোকানে ছোট বড় সব শ্রেণি-পেশার মানুষ শাঁস কিনতে ভিড় করছে।

শহরের বাবর আলী গেটের সামনে কথা হয় তাল বিক্রেতা সোহাগের সাথে। তিনি বলেন শিশু-কিশোর যুবক-যুবতী বৃদ্ধবৃদ্ধা সবার কাছে প্রিয় তালের শাঁস।  আবার মৌসুমী ফল বলে শখের বসে অনেকে এটি কিনে খান, দামেও বেশ কম তাই বাজারে এর কদরও বেশি।

পাড়া মহল্লায় ভ্যানে নিয়ে ফেরি করে বিক্রি করি। তিনি বলেন প্রতিদিন প্রায় আটশত টাকা থেকে হাজার টাকা আমার হাজিরা হয়।

আরেকজন বিক্রেতা মিরাজ বলেন প্রতিবছরই এ সময়ে আমি তালের শাঁস  বিক্রি করে থাকি। গরমের এই দিনে তালের শাঁস  বিক্রিও হয় ভালো, বেশ চাহিদাও রয়েছে, পাশাপাশি দাম ভালো রয়েছে। প্রতি পিস তালের শাঁস ৫ থেকে ৭ টাকা দরে বিক্রি হয়।

বাবু নামের একজন ক্রেতা বলেন, তালের শাঁস শরীরের জন্য খুবই উপকারী একটি ফল। গরমের দিনে রসালো তালের শাঁসে থাকা জলীয় অংশ পানি শূন্যতা দূর করে। এছাড়া ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি, এ, বিকমপ্লেক্সসহ নানা ধরনের ভিটামিন রয়েছে। তালে থাকা এন্টি অক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় পাশাপাশি সুস্বাদু নরম তালের রস খেতে দারুন মজা, এবং গরমে শরীরকে ঠান্ডা রাখে।

গাছের মালিকরা বলছেন,প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে গাছে ফলের সংখ্যা কমে গেছে। তাই তালের সরবরাহ কমে যাচ্ছে। তবে নতুন গাছগুলো বড় হলে এবং ফলন ধরলে এ মৌসুমী ফলের উৎপাদন বাড়বে বলে আশা করা যাচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© All rights reserved © dailyamarsomoy.com