বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ২০২২–২৩অর্থ বছরের কলা ও মানবিক এর গবেষণা প্রকল্পের অনুদানপেয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) চার শিক্ষক। বুধবার (৩০আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ওয়েবসাইটথেকে এ তথ্য জানা যায়।
ইউজিসির ওয়েবসাইট থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ‘এক্সপ্লোরিং দ্যাহিস্টোরিক্যাল এন্ড আর্কিওলজিক্যাল এভিডেন্স ফর ইউনানি এন্ডআয়ুর্বেদ মেডিসিন: ইনসাইট’স ইনটু ট্রেডিশনাল হেলিংপ্র্যাক্টিস এন্ড কালচারাল হেরিটেজ ইন বাংলাদেশ” শীর্ষকগবেষণা প্রকল্পের জন্য অনুদান পেয়েছেন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগেরসহকারী অধ্যাপক মুতাসিম বিল্লাহ এবং “স্কালাপ্টারাল হেরিটেজঅফ এনসিয়েন্ট বিক্রমপুর: আইকনোগ্রাফিক ডকুমেন্টেশন এন্ডইস্টাইলেস্টিকস এনালাইসিস’ শীর্ষক গবেষণা প্রকল্পের অনুদানপেয়েছেন একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শারমিনরেজওয়ানা।‘
এছাড়াও “কুমিল্লার লোককিসসা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ” শীর্ষকগবেষণা প্রকল্পের জন্য অনুদান পেয়েছেন বাংলা বিভাগেরসহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মোকাদ্দেস–উল–ইসলাম এবং“টাঙ্গাইলের পাহাড় অধ্যুষিত এলাকার (মধুপুর, ঘাটাইল ওসখিপুর): লোকসংস্কৃতি ও লোকসাহিত্য” শীর্ষক গবেষণা প্রকল্পেরজন্য অনুদান পেয়েছেন একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রেজাউল ইসলাম।
বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মোকাদ্দেস–উল–ইসলাম বলেন, ‘গবেষণা প্রকল্পের অনুদানটা পেয়ে আমি খুব খুশিএবং আনন্দিত হয়েছি। সামনে আরো বৃহৎ প্রকল্পে কাজ করারআশাবাদ ব্যক্ত করছি। গবেষণাই হচ্ছে আমাদের মূল কাজ।গবেষণার ভিতরেই আছি আমরা, গবেষণাই করছি। এটাএকধরনের স্বীকৃতি, এটা আমাদের অনুপ্রেরণিত করবে।‘
প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুতাসিম বিল্লাহ বলেন, ‘একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের প্রশান্তির জায়গাটা হচ্ছেএকজন ভালো গবেষক হয়ে উঠা। আমিও চেষ্টা করছি একজনভালো গবেষক হয়ে উঠার জন্য। সেখানে সমস্যাগুলো, সংকটগুলো, সেগুলো কীভাবে ডেভেলপ করা যায় সেগুলো নিয়েকাজ করছি। তারই অংশ হিসেবে ইউজিসিতে প্রকল্পটি দেওয়া।এটি অনুমোদিত হওয়াতে আমি খুবই আনন্দিত। একই সঙ্গে এটিহচ্ছে আমার জন্য একটি সুযোগ। আমি চেষ্টা করবো আমরনগবেষণার সাথেই থাকা। আশা করি আমার গবেষণার মধ্যেভালো কিছু উঠে আসবে।‘
প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শারমিন রেজওয়ানা বলেম, ‘গবেষণা প্রকল্পটিকে ইউজিসির মূল্যায়ন করা আমার কাছে বড়পাওয়া। কারণ এটি আমাকে দেশের ঐতিহ্য নিয়ে কাজ করারসুযোগ করে দিয়েছে। এর আগে আমি একটা গবেষণা প্রকল্পপেয়েছিলাম সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে, যদিও সেটি যৌথ প্রকল্পছিল। তবে সেই প্রকল্পটি আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে এই প্রকল্পেরক্ষেত্রে। এধরণের প্রকল্প তরুণ গবেষকদের অনেক বেশিঅনুপ্রাণিত করবে বলে আমার বিশ্বাস।’
Leave a Reply