পারা ১০-১১, আয়াত ১২৯, রুকু ১৬ (মাদানী)
১৮. অতএব যারা আল্লাহ ও পরকালে বিশ^াস করে, নামাজ কায়েম করে, যাকাত আদায় করে এবং আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে ভয় করে না, তারাই হবে আল্লাহর মসজিদের সংরক্ষক। এরাই সৎপথ পাওয়ার প্রত্যাশা করতে পারে।
১৯. যারা হাজিদের পানি পান করায় আর কাবাঘরের রক্ষণাবেক্ষণ করে এবং যারা আল্লাহ ও পরকালে বিশ^াস করে ও আল্লাহর পথে প্রাণান্ত সংগ্রামে লিপ্ত; এদের দুদলের পুণ্য কি সমান হতে পারে? (কখনো নয়!) আল্লাহর কাছে তারা কখনো সমান নয়। আসলে জালেমরা কখনো সৎপথ খুঁজে পায় না।
২০. যারা বিশ^াস করেছে, যারা হিজরত করেছে, যারা জানমাল দিয়ে আল্লাহর পথে সংগ্রাম করেছে, তারাই প্রতিপালকের কাছে সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী, তারাই সফলকাম। ২১-২২. তাদের প্রতিপালক তাদের ওপর সন্তুষ্ট। তিনি তাদেরকে তাঁর অপার করুণা ও জান্নাতের সুখবর দিচ্ছেন। সেখানে তারা থাকবে পরমসুখে, থাকবে চিরকাল। নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে রয়েছে মহাপুরস্কারের সকল উপকরণ।
Leave a Reply