“রুপালী মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ সবার আগে বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য দপ্তর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬। হারন-অর-রশিদ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এর সভাপতিত্বে ও মনজুরুল আমিন রাসেল, অফিস সহকারী, জেলা মৎস্য অফিস এর সঞ্চালনা তিনদিন ব্যাপী জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে বক্তব্য রাখে জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং ভিপি আলা উদ্দিন, জেলা আহ্বায়ক জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন, মৎস্য একটি জাতীয় সম্পদ। সবাই এর রক্ষা করতে এগিয়ে আসার আহ্বান করেন। সমাপনী বক্তব্যে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, বছরে কিছু নির্দিষ্ট সময়ে মাছের পোনা ধরা দণ্ডনীয় অপরাধ। ইলিশ মাছের মূল্য বর্তমানে খাওয়ার উপযোগী এক কেজি ইলিশের দাম ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫শ টাকা। যা মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে বক্তাদের মধ্যে এমন বক্তব্য আসায় মৎস্য কর্মকর্তা হারন-অর-রশিদ বলেন, দাম বেশি হওয়াতে আমি নিজেও ইলিশ মাছ ক্রয় করতে পারি না বলে দুঃখ প্রকাশ করেন। এদিকে, জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী জেলা আহ্বায়ক ভিপি আলা উদ্দিন আহ্বায়ক বলেন, সমাজ সেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের দিয়ে মৎস্য চাষীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তারা মৎস্য চাষ বিষয়ে কি পরিমাণ জ্ঞান রাখে ? আমার জানা নেই। তিনি অধিদপ্তরের মৎস্য বিষয়ে অভিজ্ঞ লোক দিয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার উদাত্ত আহ্বান করেন। সমাপনী বক্তব্যে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, বছরে কিছু নির্দিষ্ট সময়ে মাছের পোনা ধরা দণ্ডনীয় অপরাধ। ইলিশ মাছের মূল্য বর্তমানে খাওয়ার উপযোগী এক কেজি ইলিশের দাম ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫ শত টাকা। ইলিশ মাছ চাষ করতে খরচ নেই, এমন মাছ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে বক্তাদের মধ্যে এমন মন্তব্য আসায় মৎস্য কর্মকর্তা হারন-অর-রশিদ বলেন, দাম বেশী হওয়ায় আমি নিজেও ইলিশ ক্রয় করতে পারি না ! এবিষয়ে তিনি সকল মৎস্য সম্পদ রক্ষায় ও ইলিশ ক্রয় ক্ষমতায় রাখতে আইনের সঠিক প্রয়োগের প্রতি গুরুতারোপ করেন।
Leave a Reply