আজ সোমবার ১২ রবিউল আউয়াল, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। ৫৭০ সালের এই দিনে মানব জাতির জন্য রহমত হিসেবে প্রেরিত মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) আরবের মক্কা নগরীর সভ্রান্ত কুরাইশ বংশে মা
ইসলামের দৃষ্টিতে দান করা শুধু ধনীদের দায়িত্ব নয়; বরং প্রত্যেক মানুষ সামর্থ্য অনুযায়ী দান করবে-এটাই মহান আল্লাহ চান। আর এই দানের সুফল অনেক সময় দুনিয়ায়ই দিয়ে দেওয়া হয়। এক হাদিসে
মসজিদ আল্লাহর ঘর। এই ঘরের বিশেষ কিছু আদব ও শিষ্টাচার আছে। আছে কিছু বিধি-নিষেধ। মসজিদকেন্দ্রিক অনেক অবৈধ কাজ আছে, যা থেকে বেঁচে থাকা জরুরি। নিম্নে মসজিদের কয়েকটি নিষিদ্ধ কাজ উল্লেখ
এই সময়ে প্রায়ই প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। সঙ্গে সঙ্গে হয় বজ্রপাতও। এতে প্রতি বছরই অনেক মানুষ প্রাণ হারায়। এই বজ্রপাত আল্লাহ তাআলার শক্তিমত্তার এক মহা নিদর্শন। বজ্রপাত হচ্ছে আসমানি দুর্যোগ।
অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো ইবাদত। নিঃস্ব, নির্যাতিত ও বিপদগ্রস্ত মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসা, তাদের প্রতি সহানুভূতি-সহমর্মিতার হস্ত প্রসারিত করা নিঃসন্দেহে বরকত ও পুণ্যময় কাজ। মানুষের কষ্ট, দুর্দশা দেখে যার হৃদয়ে
আত্মিক পরিশুদ্ধি ও উন্নতির জন্য ‘শওক ও উনস’ অর্জন করা আবশ্যক। শওক ও উনস তাসাউফ শাস্ত্রের দুটি পরিভাষা। শওকের অর্থ হলো- যেসব ভালো গুণ এখনো অর্জিত হয়নি, সেগুলো অর্জনের জন্য
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল হাদমি ওয়া আউজুবিকা মিনাত তারাদ্দি, ওয়া আউজুবিকা মিনাল গারাকি ওয়াল হারাকি ওয়াল হারামি, ওয়া আউজুবিকা আইয়াতাখব্বাতানিশ শায়তানু ইনদাল মাওতি, ওয়া আউজুবিকা আন আমুতা ফি
শিশুরা ফিতরাত তথা উত্তম স্বভাবের ওপর জন্মগ্রহণ করে। শিশুকালে তার মনমানসিকতা নানামুখী চিন্তা-চেতনা ও ইচ্ছাশক্তি গড়ার জন্য উর্বর থাকে। তাই শৈশবে যদি তার উর্বর মননে কোনো ভালো অভ্যাস বা চেতনার
হজ করার শারীরিক ও আর্থিক সক্ষমতা থাকলে জীবনে একবার হজ করা ফরজ। হজের মৌসুমে হজে যাওয়া-আসার খরচসহ সফরে থাকাকালীন দিনগুলোতে তার ও পরিবারের লোকদের স্বাভাবিক খরচের ব্যবস্থা থাকলে এবং দৈহিকভাবে
ঋণ পরিশোধে গড়িমসি করা একপ্রকার অর্থনৈতিক অপরাধ। ইসলাম এ রকম অপরাধ নিরসনে নির্ণয় করেছে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা। হাদিসে এসেছে, হজরত শারিদ (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘ধনী ব্যক্তির গড়িমসি