অপপ্রচারের প্রতিবাদ, অব্যাহত উন্নয়নের ধারা,,
রংপুরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কৈলাশ রঞ্জন উচ্চ বিদ্যালয়-কে ঘিরে সম্প্রতি একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের অভিভাবক, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টরা। তাদের দাবি, চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে বাধাগ্রস্ত করতেই একটি চক্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।
১৯০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত রংপুরের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন ধরে উত্তরাঞ্চলের শিক্ষাক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। বর্তমানে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাহমুদুর রহমান সোনা ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আশরাফুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটিতে নতুন উদ্যমে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন হচ্ছে বলে জানা গেছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমান কমিটির উদ্যোগে দীর্ঘদিনের জটিলতা নিরসন করে বিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ খেলার মাঠ পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে নতুন একাডেমিক ভবনের নির্মাণকাজও এগিয়ে চলছে। শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শ্রেণিকক্ষ সংস্কার, সৌন্দর্যবর্ধন এবং শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে নেওয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, আয়-ব্যয়ের সকল হিসাব স্বচ্ছতার সঙ্গে সংরক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রতিটি খাতের রশিদ ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট যথাযথভাবে সংরক্ষিত রয়েছে। ইতোমধ্যে একাধিকবার অডিট সম্পন্ন হলেও কোনো অনিয়মের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলেও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, বর্তমান কমিটি, শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষা দপ্তরের সমন্বিত প্রচেষ্টায় বিদ্যালয়টি আবারও শিক্ষার মানোন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু কিছু ব্যক্তি নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে না পেরে মিথ্যা ও অতিরঞ্জিত তথ্য ছড়িয়ে বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাহমুদুর রহমান সোনা বলেন,
“কৈলাশ রঞ্জন উচ্চ বিদ্যালয় একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আমরা শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করছি। কিছু অসাধু ব্যক্তি মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।”
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আশরাফুল ইসলাম বলেন,
“বিদ্যালয়ের প্রতিটি কার্যক্রম নিয়মনীতি মেনেই পরিচালিত হচ্ছে। আয়-ব্যয়ের হিসাব স্বচ্ছভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং শিক্ষার পরিবেশ আরও উন্নত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও ইতিবাচক অংশগ্রহণের মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি আবারও রংপুরের শিক্ষাক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং নতুন প্রজন্ম গঠনে আরও কার্যকর অবদান রাখবে।
Leave a Reply