সূত্রে জানা যায় যে, ইমারত পরিদর্শক প্রশান্ত দত্ত রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় কর্মরত, ওই এলাকায় ভবন নির্মাণাধীন, মালিকানা, যৌথ মালিকানা ও ডেভেলপার কোম্পানিকে রাজউক কর্তৃক নোটিশ প্রদানের মাধ্যমে প্রতি মাসে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা।
ওই এলাকার রাস্তাগুলি যথাযথ প্রসস্ত না থাকায় সেখানে রাজউক ৫/৬ তলার বেশী অনুমোদন না দিলেও পরিদর্শক প্রশান্ত দত্ত
সেগুলোকে অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে মৌখিক অনুমোদন দিয়ে বৃদ্ধি করে দিয়েছেন আরো ১/২ ফ্লোর নির্মানের সুযোগ , আবার কেউ তার অনুমিত ছাড়া এমন কাজ করলে তাকে নোটিশের মাধ্যমে অফিসে ডেকে এনে বর্ধিত অংশ ভেঙে অপসারণ করার ভয় দেখিয়ে আদায় করেছেন ৮ থেকে ২০ লক্ষ টাকা। উঃ বাড্ডা
ময়নারবাগ, হোসেন মার্কেট সংলগ্ন ১০ তালা ভব নির্মান হচ্ছে যার সামনের সড়ক ১০ ফিটের ও নিচে। উঃ বাড্ডা পুরাতন থানা রোড, ভুতের গলি, হাছান উদ্দিন রোড উঃ স্বাধীনতা স্বরণী রোডে যে সকল ভবনগুলো রাজউকের নিয়ম বহির্ভূত ভাবে তৈরীর কারনে বর্ধিতাংশ অপশারন করা হয়েছিল বা সংশোধন করার জন্য উচ্ছেদ অভিযান করা হয়েছিল ওই সব ভবন মালিকদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা ঘুষ নিয়ে তিনি নিশ্চুপ হয়ে আছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে যার ফলে ভবন মালিকেরা তাদের পুর্বের অবকাঠামো অনুযায়ী ভবন নির্মান করে যাচ্ছেন দেদারসে।
এ বিষয়ে রাজউকের ইমারত পরিদর্শক প্রশান্ত দত্তের বক্তব্য নিতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করলে তিনি ফোন ধরেননি এমন কি হোয়াটস এ্যাপে ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে বক্তব্য চাইলেও তিনি কোনো জবাব দেননি।
Leave a Reply