নোয়াখালী ৯ উপজেলা বেগমগঞ্জ, সদর, সোনাইমুড়ী, চাটখিল, সেনবাগ, কোম্পানীগঞ্জ, সূবর্ণচর,হাতিয়া খাদ্য গুদাম রয়েছে। শুধুমাত্র কবিরহাট উপজেলায় খাদ্য গুদাম না থাকায় অত্র উপজেলার চাউল বিতরণ, রক্ষণাবেক্ষণ কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার খাদ্য গুদামে হয়ে আসছে। স্থান পরিদর্শনে, উক্ত ৮ টি উপজেলার মধ্যে শুধুমাত্র বেগমগঞ্জ উপজেলা খাদ্য গুদামে দুই ইউনিট সহ অত্র জেলায় মোট ৯ টি খাদ্য গুদাম মান্ধাতার আমলের বা পুরোনো। প্রত্যেক খাদ্য গুদাম থেকে সংগ্রহকৃত খাদ্য গুদামের ডিলার কর্তৃক ৩০ টাকা ধরে ওএমএস বা খোলা বাজার বিক্রিত চালে পোকামাকড়-পঁচা যুক্ত বলে আমিন, সাবানা ও আরিফসহ অনেক চাল ক্রেতাদের থেকে চরম অভিযোগ রয়েছে ! পোকা মুক্ত চাল পেতে হলে উত্তর ব্যবস্থা কি? এমন প্রশ্নে দৈনিক আমার সময়কে সদর খাদ্য গুদাম সূত্রে, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ২০১৪-২০১৫ সালের দিকে এসি বিশিষ্ট (সিলু/স্টোরেজ) খাদ্য গুদাম নির্মাণের বড় পরিকল্পনা হাতে নেয়। নিরাপদ খাদ্য বা চাল সরবরাহ কিভাবে নিশ্চিত করা যায়? এমন প্রশ্নে সদর উপজেলা খাদ্য গুদামের বিশেষ সূত্রে, এসি যুক্ত খাদ্য গুদামের চাল পোকা হয় না এবং দীর্ঘদিন ভালো থাকে চাল। অতএব নোয়াখালীসহ সারা দেশে প্রযুক্তিগত জটিলতা, অত্যধিক রক্ষণাবেক্ষণ খরচ, পরিবেশগত চ্যালেঞ্জের অজুহাতে প্রকল্প বাদ দেওয়া মোটেই যোক্তিক নয়। এসি সাইলোতে বড় আকারের চাল সংরক্ষণের দীর্ঘমেয়াদী প্রযুক্তিগত সক্ষমতার বাজেট বৃদ্ধি করে প্রকল্প চালু করার অনুরোধ করেন বর্তমান খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট ।
Leave a Reply