1. admin@gmail.com : দৈনিক আমার সময় : দৈনিক আমার সময়
  2. admin@dailyamarsomoy.com : admin :
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে বৈঠকে ইরান-কাতার - দৈনিক আমার সময়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে বৈঠকে ইরান-কাতার

অনলাইন ডেক্স
    প্রকাশিত : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা ঠেকাতে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে কাতার। দুই দেশের মধ্যে সরাসরি আলোচনা পুনরায় শুরুর লক্ষ্যে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ইরানের রাজধানী তেহরানে ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বৈঠক করেছেন কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা।”

কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো এবং নতুন করে যুদ্ধ শুরু হওয়ার ঝুঁকি এড়ানোই এ আলোচনার মূল লক্ষ্য। আজ শনিবারও (৩১ অক্টোবর) কাতারের রাজধানী দোহায় এ আলোচনা অব্যাহত থাকার কথা রয়েছে।

কাতার দুই পক্ষকে এমন কিছু পারস্পরিক পদক্ষেপ নিতে রাজি করানোর চেষ্টা করছে, যা কয়েক দিনের মধ্যে বাস্তবায়ন করা সম্ভব। এর মাধ্যমে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সরাসরি আলোচনা আবারও শুরু হতে পারে।”

তবে সমঝোতার পথে এখনো বড় দুটি বাধা রয়েছে বলে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা।

প্রথমত, ট্রাম্প প্রশাসন চায়, আলোচনায় ফেরার আগে ইরানকে তার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ছাড় দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, তেহরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রকে আগে ইরানের ওপর আরোপ করা নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে এবং জব্দ করা ইরানি অর্থ ছাড় দিতে হবে।

এ দুই শর্ত নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মতপার্থক্য থাকায় আলোচনা এগিয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

এদিকে, নতুন করে সংঘাত শুরু হলে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা ছড়িয়ে পড়তে পারে। একই সঙ্গে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকট আরও ভয়াবহ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে সৌদি আরব, তুরস্ক, মিসর ও পাকিস্তানসহ আঞ্চলিক দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে আলোচনায় ফিরে আসার আহ্বান জানাচ্ছে।”

দেশগুলোর আশঙ্কা, দুই পক্ষের মধ্যে আবারও সামরিক সংঘাত শুরু হলে তার প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাতেও বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে।

সব মিলিয়ে যুদ্ধের ঝুঁকি এড়াতে কাতারের মধ্যস্থতায় কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলছে। তবে পারমাণবিক কর্মসূচি, নৌ অবরোধ ও জব্দ করা অর্থ নিয়ে দুই দেশের অনড় অবস্থানের কারণে সমঝোতা কতটা সম্ভব হবে, তা এখনো অনিশ্চিত।”

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© All rights reserved © dailyamarsomoy.com