রাজধানী ঢাকা ও তার আশপাশের এলাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও ইমারত বিধিমালার বাস্তবায়ন ও দেখভালের দ্বায়িত্ব একমাত্র রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউক এর কর্মকর্তাদের উপর, কিন্তু কিছু কিছু অসাধু ও দুর্নিতীগ্রস্থ কর্মকর্তাদের জন্য এ দপ্তর আজ কলুষিত, রাজউকের বিভিন্ন এলাকায় ইমারত পরিদর্শকদের ঘুষ বাণিজ্য আর দুর্নিতীর কারনে মালিকানাধীন বা ডেভেলপার কোম্পানির ভবন নির্মানে অনিয়মের খবর পাওয়া যায় ।
তদন্ত সূত্র বলছে, রাজউকের ইমারত পরিদর্শক ও অথোরাইজড অফিসারদের ঘুষ বাণিজ্যের অপকৌশল এখন নোটিশ বাণিজ্য। নির্মাণাধীন ভবন মালিকদেরকে রাজউকের নোটিশের মাধ্যমে ডেকে এনে ঘুষ বাণিজ্যের নিয়মিত মাধ্যম হিসেবে ব্যাবহার করছেন রাজউকের নোটিশকে। ভবন নির্মান বিধিমালার ব্যাতিক্রম দেখিয়ে ভবন নির্মাণাধীন একক মালিক কিংবা ডেভেলপার কোম্পানির মালিকদেরকে রাজউকের নোটিশের মাধ্যমে অফিসে ডেকে এনে অনিয়মকে মৌখিক নিয়মের ছাড়পত্র দেবার আশ্বাস দিয়ে ঘুষ লেনদেন যেন এখন তাদের নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাড়ীয়েছে।
কোনো কোনো অফিসার সর্বনিম্ন ২৫ / ৩০ হাজার টাকার অবৈধ লেনদেন ছাড়া কোনো বৈধ ফাইলেও সই করেন না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তদন্তে এমনসব অসাধু কর্মকর্তাদেরকে নিয়ে সিন্ডিকেট তৈরীর এক নীলনকশা বাস্তবায়নে রাজউক জোন-৩/২এর অথোরাইজ অফিসার শেগুপ্তা শারমিন এর নাম উঠে এসেছে।
জোন-৩ এর পরিচালক বদলি হওয়ার সময় তড়িঘড়ি করে শেগুপ্তা শারমিন জোন- ৩/২ এর একটি সাইট বন্টনের তালিকা সই করিয়ে নেয়, পরক্ষনে একই জোনে নিজের পছন্দ মত পরিদর্শক নির্নয় করে অন্য আরো একটা সাইট বন্টন তালিকায় সই করান।
কিন্তু তাতেও তার নিজস্ব সিন্ডিকেট মনঃপুত না হওয়ায় গত ১২/০৯/২০২৪ তারিখে নতুন পরিচালককে দিয়ে উল্লেখিত জোনে আরো একটি সাইট বন্টন তালিকায় সই করিয়ে নেন, যা রাজউকের ইমারত পরিদর্শকদের জন্য একটা বিব্রতকর পরিস্থিতি বলে জানান তারা।
নাম না বলার শর্তে এক কর্মকর্তা বলেন, সহকারী অথোরাইজ অফিসার মামুন, পরিদর্শক, সোলাইমান ও পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদরাই তার সিন্ডিকেটের মূল সদস্য।
এ বিষয়ে জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করতে চাইলে তা বন্ধ পাওয়া। জোন-৩ এর পরিচালকের মুঠো ফোনেও তাকে পাওয়া যায় নি।
Leave a Reply