হত্যাকান্ডের সাথে আওয়ামীলীগ নেতাদের জড়িয়ে সম্প্রতি জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী সাংসদ উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগমের দেয়া ভিত্তিহীন ও বানোয়াট বক্তব্যের প্রতিবাদে ও আওয়ামীলীগ নেতা এ.কে.এম. ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় নির্দোষদের মুক্তির দাবীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে মানবন্ধন ও সমাবেশ হয়েছে।
রবিবার (৯ জুলাই) দুপুরে সরাইল উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে এ কর্মসূচী পালিত হয়। এসময় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে উচালিয়া পাড়া পর্যন্ত দীর্ঘ মানববন্ধনে কয়েক হাজার নারী-পুরুষ অংশগ্রহন করেন। পরে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক উপজেলা চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুরের সভাপতিত্বে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় তিনি বলেন, ২০১২ সালের ২১ অক্টোবর সরাইল উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহসভাপতি এ.কে.এম ইকবাল আজাদকে একদল দুষ্কৃতিকারী নির্মম ভাবে হত্যা করে। আমরা সবাই এ হত্যাকান্ডের বিচার চাই। তবে একটি মহল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামীলীগের ত্যাগী নেতাদের এ হত্যা মামলায় জড়িয়েছে। আমরা মামলার পুনঃ তদন্ত করে নির্দোষদের মুক্তির পাশাপাশি হত্যাকান্ডের সাথে প্রকৃত জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানাচ্ছি। সে সাথে গত মাসে জাতীয় সংসদে ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম (শিউলি আজাদ) ওই হত্যাকান্ডের সাথে আমাদেরকে জড়িয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
এসময় তিনি আরো বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু হত্যার অন্যতম কুশীলব তাহের উদ্দিন ঠাকুরের বিশ্বস্থ সহযোগী ও তৎকালীন শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক’র পুত্রবধূ উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম শিউলি আজাদকে জাতীয় সংসদের সদস্য পদ থেকে এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ থেকে অপসারণের দাবি করেন।
সমাবেশে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল জব্বার, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমত আলী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী মাহফুজ আলী, উপজেলা সহকারী মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন আনু, উপজেলা ছাত্র লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাফিজুল আসাদ সিজার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ঠাকুর রাব্বিসহ উপজেলার বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
Leave a Reply