1. admin@gmail.com : দৈনিক আমার সময় : দৈনিক আমার সময়
  2. admin@dailyamarsomoy.com : admin :
শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে দিনে আটক মাস্টার গভীর রাতে ছাড়া পেলেন - দৈনিক আমার সময়

শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে দিনে আটক মাস্টার গভীর রাতে ছাড়া পেলেন

আলফাজ সরকার, গাজীপুর
    প্রকাশিত : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর শহরের সবুজবাগ এলাকায় প্রাইভেট পড়ার সময় এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে আটক আলমগীর হোসেন গভীর রাতে থানা থেকে ছাড়া পেয়েছেন। আটক ওই কোচিং মাস্টারকে নামে ভুক্তভোগী কোনো অভিযোগ না করায় তাকে ছেড়ে দিয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

এরআগে,মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলের দিকে পৌর এলাকার সবুজবাগের একটি বাসা থেকে আলমগীর হোসেন (৩০) নামের ওই প্রাইভেট শিক্ষককে আটক করে পুলিশে দেয় জনতা।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন উপজেলার সিঙ্গারদীঘি গ্রামের বাসিন্দা এবং তিনি শ্রীপুরে একটি ভাড়া বাসায় কোচিং সেন্টার পরিচালনা করতেন। অভিযোগ উঠে, প্রাইভেট পড়ানোর সময় তিনি ওই শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি করেছেন বলে বক্তব্য দিয়েছিলেন শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন,’ প্রথমে এলাকাবাসী ও ওই শিক্ষার্থীর অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তি ওই শিক্ষার্থীর স্পর্শকাতর স্থানে যৌন নিপীড়ন চালিয়েছে বলে জানিয়েছিল। তাই, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্তকে আটক করি। কিন্তু গভীর রাত পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ দিতে রাজি হয়নি ভুক্তভোগী পরিবার।’

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়,’ ওই এলাকার একটি বাসা ভাড়া নিয়ে প্রাইভেট কোচিং পড়াতেন আলমগীর হোসেন। সোমবার বিকেলের দিকে ওই রুমে পড়ার সময় দরজা বন্ধ করে শিক্ষার্থীর স্পর্শকাতর স্থানে হাতাহাতি করে আলমগীর। বিষয়টি পাশের বাড়ির লোকজন টের পেয়ে আশপাশের লোকদের জানায়। পরে সকলে গিয়ে দরজা খুলে ওই কোচিং মাস্টারকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে আলমগীর হোসেনকে আটক করে থানা হেফাজতে নিয়ে যায়। গভীর রাতে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় আরাফাত মিয়া বলেন, দিনে আটক করার পর রাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। যদি অপরাধই করে থাকে তাহলে ছাড়া হলো কেনো..? আর যদি অপরাধ না করে থাকে তাহলে কেনো মান ইজ্জত নষ্ট করা হয়েছে?।

আলম নামে একজন তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘ একজন প্রাইভেট শিক্ষককে যদি অন্যায় ভাবে আটক করা হয় তাহলে ওই জনতার বিচার হওয়া দরকার। আর যদি ঘটনা সত্যি হয় তাহলে বুঝতে হবে রফাদফা করে ছাড়া হয়েছে। ‘

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন,’ ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করা হলেও থানায় আনার পর ভুক্তভোগী পরিবার থেকে কোনো অভিযোগ দিতে রাজি হয়নি। গভীর রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করেও অভিযোগ না পেয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ‘

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© All rights reserved © dailyamarsomoy.com