কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেছেন, ‘নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা হয়েছে, এটা নিয়ে অনেকে খুশি না। আমি নিজেও খুশি না। কিন্তু তার পরেও বলব, একটি গণতান্ত্রিক দেশে পাঁচ বছর পর পর অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ প্রভাব মুক্ত নির্বাচন হওয়া দরকার, বঙ্গবন্ধু নিজে বলেছে সকল প্রকার প্রভাব মুক্ত নির্বাচন করতে হবে।’
মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ শুক্রবার বেলা ১১টায় তার মাজারে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আমি বলব এখন সরকার নাই, এখন সরকার নির্বাচন কমিশন। ইচ্ছে স্বাধীন যেন কোনো কিছু না করা হয়। গতবারের মতো ভোটারহীন ভোট হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ও সব থেকে বেশি ক্ষতি হবে বাংলাদেশের ও তার থেকে বেশি ক্ষতি হবে আমার বোন শেখ হাসিনার।’
কাদের সিদ্দিকী মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে উদ্দেশ করে বলেন, আমরা আমেরিকায় বাস করি না, আমরা বাংলাদেশে বাস করি। আমেরিকা স্যাংশন দেবে আমরা ভয়ে বিয়ে করব না, বউ তালাক দেব, মেয়ের বিয়ে হবে না, ছেলেকে বিয়ে করাব- এ চিন্তাভাবনা করা উচিত না। এটা জিএম কাদের জীবনের শ্রেষ্ঠ ভুল কথা বলেছেন।
পিটার হাসের সমালোচনা করেকৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বলেন, ‘বাংলাদেশে আমেরিকার রাষ্ট্রদূতের এত দৌড়াদৌড়ি ভালো না। এটা তার দেশের ইলেকশন না, ইলেকশন আমাদের দেশের।’
তিনি বলেন, ‘তিনি তিনটা দলকে চিঠি দিয়েছেন, বাংলাদেশে আর মানুষ নাই। বাংলাদেশে আর দল নেই। তিনিও তিনটা দলকে চিঠি দিয়ে বাংলাদেশকে ভাগ করে ফেলেছেন, দেশকে বিভক্ত করেছেন। এটা অন্যায়, এজন্য তার স্যাংশন পাওয়া উচিত, বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে। আমাদের ছোট দেশ বলে গরিব মানুষের সুন্দরী বউয়ের মতো যে যা খুশি তাই আমাদের করবেন- এটা হতে পারে না।
তিনি বলেন, কোনো বিদেশির এভাবে দৌড়ঝাঁপ করার কোনো সুযোগ ছিল না। তারা যে তিনটা দলকে চিঠি দিয়েছেন, এটা দেশের সংবিধান অনুসারে রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে তিনি জঘন্য অপরাধ করেছেন। এ জন্য তাকে আইনের আওতায় নেওয়া যেতে পারে।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, সামনের নির্বাচনে ৩০০ আসনেই কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ মনোনয়ন দেওয়ার চিন্তা করছে।
এ সময় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে ছিলেন।
তফসিল ও পিটার হাস কে নিয়ে বললেন কাদের সিদ্দিকী।
Leave a Reply