1. admin@gmail.com : দৈনিক আমার সময় : দৈনিক আমার সময়
  2. admin@dailyamarsomoy.com : admin :
বিদেশ পাঠানোর নামে প্রতারণা: রিমান্ড শেষে কারাগারে বিএসবি গ্লোবালের মালিক - দৈনিক আমার সময়

বিদেশ পাঠানোর নামে প্রতারণা: রিমান্ড শেষে কারাগারে বিএসবি গ্লোবালের মালিক

নিজেস্ব প্রতিবেদক
    প্রকাশিত : বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫

বিদেশে উচ্চ শিক্ষার প্রলোভনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ‘বিএসবি গেøাবাল নেটওয়ার্ক’-এর মালিক মো. খায়রুল বাশার বাহারের (৫১) ১০ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াদুর রহমানের আদালত এ আদেশ দেন। এদিন দশ দিনের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তাকে কারাগারে রাখার আবেদন করেন। পরে আদালত সেটি মঞ্জুর করেন। এর আগে ১৪ জুলাই দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডি থানাধীন রোড নং-৪ এর একটি ভবনের নিচতলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরের দিন ১৫ জুলাই ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছানাউল্ল্যাহ’র আদালত তার ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, খায়রুল বাশার ও তার সহযোগীরা কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে উচ্চ শিক্ষার চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে ১৪১ জন ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ১৮ কোটি ২৯ লাখ ৫৭ হাজার ৬৮০ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৪৪৮ জন ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ৫৩ কোটি টাকারও বেশি অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। চূড়ান্ত তদন্ত শেষে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আসামির বিরুদ্ধে গুলশান থানায় একাধিক প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলা চলমান রয়েছে। আসামি একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সঙ্গে যুক্ত, যারা মানি লন্ডারিংয়ের সাথেও সম্পৃক্ত।
এফএনএস: বিদেশে উচ্চ শিক্ষার প্রলোভনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ‘বিএসবি গেøাবাল নেটওয়ার্ক’-এর মালিক মো. খায়রুল বাশার বাহারের (৫১) ১০ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াদুর রহমানের আদালত এ আদেশ দেন। এদিন দশ দিনের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তাকে কারাগারে রাখার আবেদন করেন। পরে আদালত সেটি মঞ্জুর করেন। এর আগে ১৪ জুলাই দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডি থানাধীন রোড নং-৪ এর একটি ভবনের নিচতলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরের দিন ১৫ জুলাই ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছানাউল্ল্যাহ’র আদালত তার ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, খায়রুল বাশার ও তার সহযোগীরা কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে উচ্চ শিক্ষার চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে ১৪১ জন ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ১৮ কোটি ২৯ লাখ ৫৭ হাজার ৬৮০ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৪৪৮ জন ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ৫৩ কোটি টাকারও বেশি অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। চূড়ান্ত তদন্ত শেষে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আসামির বিরুদ্ধে গুলশান থানায় একাধিক প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলা চলমান রয়েছে। আসামি একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সঙ্গে যুক্ত, যারা মানি লন্ডারিংয়ের সাথেও সম্পৃক্ত।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© All rights reserved © dailyamarsomoy.com