৪১তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন শেখ রায়হানা ইসলাম। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে স্নাতক পাস করেন শেখ রায়হানা ইসলাম। স্নাতকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন তিনি।
শেখ রায়হানা ইসলাম জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষ থেকে বিসিএসের প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেন তিনি। ৪১তম বিসিএস তাঁর এটাই প্রথম বিসিএস। প্রথম বিসিএসেই সফলতা পেয়েছেন।
গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর ৪১তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা দেন শেখ রায়হানা ইসলাম। যেহেতু প্রথম পছন্দ ছিল পররাষ্ট্র ক্যাডার, তাই বেশির ভাগ প্রশ্ন ইংরেজিতে করা হয়। ২০টির বেশি প্রশ্ন করা হয়েছিল। দু–একটি বাদে সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পেরেছিলেন।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক এবং চীন ও ভারতের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন করা হয়েছিল শেখ রায়হানা ইসলামকে। শেখ রায়হানা ইসলাম আরো বলেন, ‘প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর স্বতন্ত্রভাবে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম, ফলে বোর্ড সন্তুষ্ট হয়েছিল। আমার রোল শেষের দিকে ছিল। ভাইভা দিয়ে প্রার্থীরা একে একে বের হয়ে যেতে থাকলে টেনশন বাড়তে থাকে। মানসিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত করতে থাকি, যেকোনো কিছু মোকাবিলা করার জন্য। তবে ছোটবেলা থেকে বিতর্ক, আবৃত্তি, বক্তৃতা ইত্যাদি বিষয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে ভাইভা নিয়ে ভয় পাইনি। মৌখিক পরীক্ষায় আমার পঠিত বিষয়, সাম্প্রতিক বিষয় এবং প্রথম ও দ্বিতীয় পছন্দ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল।’
মৌখিক পরীক্ষায় শেখ রায়হানা ইসলামকে প্রথম প্রশ্ন করা হয়েছিল, একজন জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে আপনি কীভাবে ফরেন সার্ভিসে অবদান রাখতে পারেন? চতুর্থ শিল্পবিপ্লব, স্মার্ট বাংলাদেশ, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও গবেষণায় জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে গুরুত্ব এবং এসবের মাধ্যমে ফরেন সার্ভিসে অবদান রাখার কথা বলেন তিনি। মাঠ প্রশাসনের একটি চ্যালেন্জ জানতে চাইলে তিনি বলেন ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সহ অন্যান্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করতে হয়, সেটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। অনেক সময় আইনশৃঙ্খলার অবনতি সহ বিভিন্ন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে। এ জন্য ম্যাজিস্ট্রেটকে সব সময় সতর্ক থাকতে হয়।
Leave a Reply