ইউনিয়ন কাতলী গ্রামে তার ঠাই হয়, সেখানেই পাতেন সংসার, নিরক্ষর কবিয়াল হাসেম আলী ওই অঞ্চলসহ আশপাশের ২-৪ জেলার এমন কোনো হাটবাজার নেই যেখানে গান গাননি। যশোর, মাগুরা, নড়াইল, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, ফরিদপুরসহ বিভিন্ন জেলার হাটবাজারে মজমা করে গানের পর গান গেয়ে শ্রোতা দর্শকদের মন মুগ্ধ করেছেন, তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ভারতের পশ্চিম বাংলার বিভিন্ন জায়গায় পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকারদের বিরুদ্ধে অসংখ্য গান গেয়ে মুক্তিযোদ্ধা ও শরণার্থীসহ সর্বস্তরের মানুষের মন জয় করেছিলেন। তিনি বাংলাদেশ বেতারেও গান গেয়েছিলেন বলে জানা গেছে।
সেই নিরক্ষর কবিয়াল হাসেম আলী জীবনের শেষ বয়সে এসে নিদারুন কষ্টের মধ্যে দিন যাপন করছেন।এখন শেষ বয়সে এক বেলা খাবার জোটেতো অন্যবেলা থাকতে হয় উপোষ, সরকারী বেসরকারি তেমন সহযোগীতাও পায়না কবি হাসেম আলী, হাসেম আলী কান্না জড়ীত কন্ঠে এই প্রতিবেদকের মাধ্যমে দেশের সরকারী বেসরকারি মহলের বিত্তবানদের প্রতি তার আকুঁতি, তিনি যেন এই শেষ বয়সে অনাহারী থেকে কষ্ট না পায়।
Leave a Reply