গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৪ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল অপহরণের পর গণধর্ষণপূর্বক মোবাইলে স্থিরচিত্র ও ভিডিও ধারণকারী ধর্ষকদের গ্রেফতার করার জন্য ১০ জুন ২০২৩ তারিখ ঢাকা জেলার ধামরাই থানার কাওয়ালিপাড়া বাজার এলাকায় সাড়াশি অভিযান পরিচালনা করে ০৪ জন ধর্ষককে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলোঃ তোফাজ্জেল হোসেন (৪৫), জেলা- ঢাকা; নুর মোহাম্মদ (৩২), জেলা- ঢাকা;শহিদুল্লাহ (৪৫), জেলা- ঢাকা এবং মোঃ আনোয়ার হোসেন (৩২), জেলা- ঢাকা।
গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও ঘটনার বিবরণে জানা যায় যে, ভিকটিম একজন গার্মেন্টস কর্মী। একই গার্মেন্টসে কর্মরত এক বান্ধবীর সাথে গত ইং ১৫/০৫/২০২৩ তারিখ আসামী তোফাজ্জেল হোসেন মানিকগঞ্জ জেলার মানিকগঞ্জ সদর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দেখা করতে আসলে সেখান থেকে ভিকটিমের সাথে তার পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্রে ধরে তোফাজ্জল বিভিন্ন সময়ে ভিকটিমের মোবাইলে ফোন দিয়ে তার বান্ধবীর সম্পর্কে জানতে চাইতো। গত ০৯ জুন ২৩ তারিখ আসামী তোফাজ্জেল হোসেন (৪৫) ভিকটিমের মোবাইলে ফোন দিয়ে দেখা করার কথা বলে কৌশলে ঢাকা জেলার ধামরাই থানাধীন গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের হাতকোড়া বাজারে ডেকে নেয়। ভিকটিম সেখানে পৌছালে গ্রেফতারকৃত অপর আসামীদের সহযোগীতায় ভিকটিমের মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের উত্তর হাতকোড়াস্থ সাদেক কোম্পানীর ইট ভাটার উত্তর পাশের চকে নিয়ে যায়। গ্রেফতারকৃত আসামীরা ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টাকালে ভিকটিম বাধা দিলে তাকে মারধর করে। পরবর্তীতে আসামীরা ভিকটিমের পরিহিত ওড়না দিয়ে মুখ বেধে ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ০৯/০৬/২০২৩ তারিখ সময় সন্ধ্যায় পালাক্রমে ভিকটিমকে জোরপূর্বক গণধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর তোফাজ্জেল হোসেনসহ অন্য আসামির সহায়তায় ভিকটিমের বিবস্ত্র শরীরের স্থিরচিত্র ও ভিডিও তোফাজ্জলের মোবাইল ফোনে ধারণ করে রাখে এবং ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার কথা বলে হুমকি প্রদান করে। গ্রেফতারকৃত আসামীরা উক্ত ঘটনায় তাদের কৃত অপরাধের কথা স্বীকার করেছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে থানায় হস্তান্তর সহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।
Leave a Reply